ঈদের পশুর হাটে সংকট ও শংকা বৃদ্ধি পেল ক্রেতাদের সমস্যা
ক র ত ব ক র ত – আনুষ্ঠানিক ভাবে পবিত্র ঈদুল আজহার কোরবানি শুরু হয়েছে সারাদেশে। তবে শুরুতেই বাজারে পরিস্থিতি একটু আলোচনা করা হয়েছে। বর্তমান সময়ে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে এ বার হাটে দাম বেশি হয়েছে। অন্যদিকে বিক্রেতারা প্রতিযোগিতা দেখাতে চাইছেন যে অতিরিক্ত পশু হাটে আসায় ক্রেতাদের পরিমাণ স্থান পেতে ব্যাপারীদের প্রতি আগ্রহ বেশি দেখা গেছে।
যান চলাচল সমস্যা হচ্ছে কারণ রাস্তার দুধারে অনেক বেশি গরু বেধে রাখা হচ্ছে। এখন রাজধানীতে কোরবানির হাটে জমে উঠছে ভিড়। হাটে গরু প্রচুর আছে কিন্তু ক্রেতারা মূল্য নিয়ে সন্দেহ বৃদ্ধি পেয়েছেন। গত ৭-৮ বছরে এমন জমজমাট হাট দেখা যায় নি। তবে ঈদের সপ্তাহেক আগে অতিরিক্ত গরু আসার দেখা যায় নি বলে জানান স্থানীয়রা।
ব্যাপারীর আরো বেশি দাম চাওয়া প্রবল আক্রমণ
প্রধান শিকায় ক্রেতাদের হাটে প্রবল ভিড়ের কারণে বিক্রেতারা মূল্য বেড়ে দিচ্ছেন। কেন্দ্রে প্রচুর গরু আছে কিন্তু ছোট ও মাঝারি আকারের প্রতি আগ্রহ বেশি দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের যুক্তি হচ্ছে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। অতিরিক্ত দামে গরু কিনতে হয়েছে গ্রাম থেকে।
“আমরা গ্রাম থেকে বেশি দামে গরু কিনেছি। ট্রাক ভাড়াও অনেক বেড়েছে। তাই কম দামে বিক্রি করা কঠিন হয়েছে। আমার দাম খুব বেশি চাচ্ছি না। অল্প কিছু লাভ হলেই ছেড়ে দিচ্ছি,” বলেন পাবনা থেকে আসা ব্যাপারী আব্দুল লতিফ।
টাঙ্গাইল থেকে আসা হোসেন আলী বলেন, “সবাই গরুটা দেখছে, ছবি তুলছে। কিন্তু দাম বলছে কম।” হাটে গরু এনেছে তিন দিন হচ্ছে বলে জানান সিরাজগঞ্জের ব্যাপারী মো. মামুন। তিনি আরও জানান, “দুপুরের দিক থেকে বিক্রি শুরু হয়েছে। আমাদের ধারণা আগামীকাল ও পরশু মূল বিক্রি হবে।”
গবাদিপশু ফেরত যেতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। কারণ একটি ৫-৬ মণ ওজনের গরু কোরবানি কেন্দ্র করে প্রস্তুত করা হয়। অন্যদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। বর্তমান সময়ে প্রতিদিনের খরচ মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছেন বলে জানান কৃষি অর্থনীতিবিদ জাহাঙ্গীর আলম খান।
অধ্যাপক রিপন কুমার মণ্ডল মনে করেন, মধ্যবিত্ত শ্রেণির অনেকে গরু কিনতে না পেরে ছাগল কিনছেন। বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা যায়, গরুগুলো কোরবানি কেন্দ্র করে প্রস্তুত করা হয়। তাই খামারিরা ব্যাপক ক্ষতি করছেন। গত কয়েক বছর পশুখাদ্য, ওষুধ এবং খামার পরিচালনার খরচ অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয