ধর্ষণের বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে ৫ দফা
ধর ষণ র ব চ রহ নত – রাজধানী ঢাকায় শিশু নিপীড়ন ও ধর্ষণের বিচারহীনতার বিরুদ্ধে নাগরিক সমাজ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম রাজপথে নেমেছে। প্রতিবাদের শীর্ষক হলো ‘শিশু নিপীড়ন, ধর্ষণ ও বিচারহীনতা আর না’। রোববার (২৪ মে) বিকেলে বৃষ্টি উপেক্ষা করে শাহবাগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির শুরুতে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী আনিশা আন্দোলনের দাবি পাঠ করে শোনায়।
১. দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে ধর্ষণের মামলা সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে ট্রায়াল শেষ করতে হবে। সালিশ বা আপসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যাবে না এবং সকল মামলার অগ্রগতি ডিজিটাল ডেটাবেজে প্রকাশ করতে হবে।
আইনজীবী প্রিয়া হাসান চৌধুরি বলেন, “সুষ্ঠু বিচার হয়েছে কি না তা নিয়ে যেন প্রশ্ন না ওঠে, সেজন্য ‘ডিউ প্রসেস’ মানা দরকার। ইমোশনে বলে যদি ডিফেন্স না মানা হয়, তবে বিচার প্রক্রিয়াটিই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যেতে পারে। তদন্তের দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে তিনি বলেন, “প্রতিটি মামলা বিশেষ নয়, তাই কোয়ালিটি মেইনটেইন না করে দ্রুত তদন্ত শেষ করতে চাইলে পুরো বিচার প্রক্রিয়া দুর্বল হয়ে যেতে পারে।”
২. নারী নিরাপত্তা ও পুলিশের জবাবদিহি
প্রশিক্ষিত মহিলা পুলিশ ইউনিট, ২৪ ঘণ্টার জাতীয় হটলাইন ও দ্রুত লোকেশন শনাক্তের ব্যবস্থা করতে হবে। অভিযোগ নিতে অস্বীকারকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
৩. যৌন নিপীড়নবিরোধী সেল
হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র ও সংগঠনে পূর্ণাঙ্গ যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তি সেল সক্রিয় করতে হবে।
৪. সুরক্ষা ও আত্মরক্ষা শিক্ষা
বয়স-উপযোগী ‘ভালো স্পর্শ, খারাপ স্পর্শ’ সচেতনতা এবং আত্মরক্ষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে। এই প্রবণতা দূর করা দরকার।
৫. প্রমাণ সংগ্রহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা
জেলা সদর হাসপাতালে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারগুলোকে প্রয়োজনীয় জনবল, ফরেনসিক সরঞ্জাম ও আই