কেজরিওয়াল-সিসোদিয়াকে দিল্লি হাইকোর্টের নোটিস
ক জর ওয় ল স স দ – দিল্লি হাইকোর্ট বিচারব্যবস্থার প্রতি আক্রমণ ও প্রতিক্রিয়া ঘটানোর চেষ্টা করেছে বলে জানায় বৃহৎ ক্ষেত্রে নতুন চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) ফৌজদারি আদালত অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মনীশ সিসোডিয়া, সঞ্জয় সিংহ সহ আম আদমি পার্টির বেশ কয়েকজন প্রধান নেতার বিরুদ্ধে নোটিস জারি করেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দিল্লির এক্সাইজ পলিসি বিষয়ক মামলা কেন্দ্র করে বিচারপ্রণালীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হারামোহন করার চেষ্টা হয়েছে। এমন প্রচার চালানো হয়েছে যা আদালতের প্রতিষ্ঠা ক্ষুণ্ণ করে।
আদালত রেজিস্ট্রিকে নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট পোস্ট, ইলেকট্রনিক রেকর্ড ও প্রকাশিত সামগ্রী সংরক্ষণ করে পরবর্তী শুনানিতে উপস্থিত করতে হবে। একইসঙ্গে অভিযুক্তদের চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দাখিল করার জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ প্রকাশ করা হয়েছে চার আগস্ট। উল্লেখযোগ্য যে শুনানির সময় অভিযুক্তদের পক্ষে কোনও আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
বিচারপতি স্বরণা কান্তা শর্মা বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া ও অন্যান্য মাধ্যমে একটি ‘সমন্বিত ক্যাম্পেইন’ চালিয়ে বিচারপ্রণালীকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
এটি কেবল আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করে না, বরং বিচার প্রক্রিয়ায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করে বিচারকদের স্বাধীনতা ধ্বংস করার সামিল।
তিনি আরও জানান, সামগ্রী সংরক্ষণের বিষয়ে আদালত সূক্ষ্ম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা রেখেছে। এই মামলার উদ্দেশ্য হল মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আড়ালে বিচারব্যবস্থাকে আক্রমণ করা বা জনমতের প্রতি বিশ্বাস ক্ষুণ্ণ করা হবে না এমন কোনও প্রচেষ্টা সহ্য করা হবে না।
বিচারপতি শর্মা আরও উল্লেখ করেন, আদালতের রায় সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করার পরিবেশ কেবল ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে নয়, বরং বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য শুরু করা হয়েছে। এই মামলার পরবর্তী অগ্রগতি রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে বিশেষ গুরুত্ব অর্পিত। প্রসঙ্গত, বর্তমানে সেই মামলা শুনছেন ব