News

একটি চুল বা লোমই বলবে অপরাধী কে: পিটিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের দিন শেষ | সংবাদ

বিচার প্রক্রিয়া সহজ করতে পুলিশের কাছে ফরেনসিক প্রস্তুতি শুরু একট চ ল ব ল মই বলব - অপরাধীদের বিচার ঘটানোর জন্য বছর ধরে বিভিন্ন আদালতের বারান্দায় প্রতিদিন

Desk News
Published June 3, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বিচার প্রক্রিয়া সহজ করতে পুলিশের কাছে ফরেনসিক প্রস্তুতি শুরু

একট চ ল ব ল মই বলব – অপরাধীদের বিচার ঘটানোর জন্য বছর ধরে বিভিন্ন আদালতের বারান্দায় প্রতিদিন ঘুরে বসে আছে বৃদ্ধ বাবা। তাঁর ছেলের খুন ঘটানোর পর থেকে এই সাধারণ পরিবারের অপেক্ষা করছে ডিএনএ রিপোর্টের ফলাফল। দেশের আদালতগুলি প্রায় মিলিয়ন মামলার কাছে পৌঁছে গেছে, যার মূল কারণ অপরাধের প্রকৃতি বদলেছে কিন্তু তদন্ত ব্যবস্থা অপরিবর্তিত থাকছে মান্ধাতা আমলে।

আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত চারটি নতুন ফরেনসিক ল্যাব চালু হবে দেশের চারটি বিভাগে। সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর ও বরিশাল বিভাগে ব্যয় করা হবে প্রায় ৪৮৫ কোটি টাকা এই মহাপরিকল্পনার জন্য। সিআইডি এবং পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন দ্বারা অপরাধ তদন্তের গতি বৃদ্ধি পাবে।

তথ্যপ্রযুক্তি সাক্ষ্যের প্রভাব

বর্তমানে সিআইডি নিয়ন্ত্রণে মাত্র চারটি ল্যাব রয়েছে। মালিবাগ প্রধান কার্যালয়, মহাখালীর রাসায়নিক পরীক্ষাগার এবং চট্টগ্রামের দামপাড়ার ল্যাব তার মধ্যে। রাজশাহী ও খুলনার পুরনো ল্যাবগুলোকে জাপানের জাইকা ও কোরিয়ান সরকারের সহায়তায় আধুনিক করা হচ্ছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের ল্যাবগুলোতে দক্ষ কর্মকর্তাদের যোগ করা হবে দ্রুত।

“আগের ল্যাব আধুনিকীকরণ ও নতুন ফরেনসিক ল্যাব চালু হলে অপরাধ দমনে নতুন মাত্রা যোগ হবে। তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক অপরাধ শনাক্ত ও দমন করা সহজ হবে। আর লাঠি দিয়ে পিটিয়ে স্বীকারোক্তি নেওয়ার দরকার হবে না, প্রযুক্তিই বিষয়টি প্রমাণ করবে।” – সিআইডির দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান ডিআইজি আলি আকবর খান

বিজ্ঞানসম্মত তদন্ত ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবার বিশেষ সমর্থনে। নতুন ল্যাবগুলো চালু হলে ময়নাতদন্তের রাসায়নিক পরীক্ষা, ডিএনএ প্রোফাইলিং এবং ব্যালেস্টিক তথ্য অতি দ্রুত প্রক্রিয়াক্রমে সম্পন্ন হবে। এতে মামলার জট কমবে এবং নমুনা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে পরিচালনা ও প্রশিক্ষণের সমস্যা এখনও অপরিহার্য নয়। আগের দুটি ল্যাব আধুনিক করার প্রক্রিয়ায় কোটি কোটি টাকার ব্যয় পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত দক্ষ সূত্র ও সম্প্রতি প্রযুক্তির বিষয়ে অজ্ঞতা অপরিহার্য হতে পারে। এই সংকট কাটানোর জন্য অন্তর্বর্তী প্রশিক্ষণ কর্মসূত্র চালু হয়েছে। এতে কোরিয়া ও দেশে সিআইডির ১২০ জনেরও বেশি কর্মকর্তাদের আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞানের মাধ্যমে অপরাধীদের কৌশল ফাটানোর পরিবর্তে প্রমাণের কাজ করতে হবে আদালতে। প্রযুক্তি যখন কথা বলে, তখন কোনো অপরাধী আর পার পাবে না আর কোনো নিরীহ মানুষ মিথ্যে অপবাদে বলির পাঁঠা হতে হবে না। ফলে দেশের লাখ লাখ বিচারপ্রার্থীর মনে আস্থা ফিরে আসবে ব

Leave a Comment