ইসলামিক ফাউন্ডেশনে ইসল ম ক ফ উন ড কর্মসন্ধিতে নিয়োগ পেলেন ডিজি
ইসল ম ক ফ উন ড শন – ইসলামিক ফাউন্ডেশনে ইসল ম ক ফ উন ড এর মহাপরিচালক পদে একজন আলেম নিয়োগ পেলেন ডিজি মুহাম্মাদ মুহিববুল্লাহিল বাকী। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এই প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পদে আলেমের আসন স্থাপিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে তার এক বছরের জন্য কর্মসন্ধি নিয়োগ ঘোষণা করা হয়েছে। এই নিয়োগের মধ্যে ইসল ম ক ফ উন ড এর নতুন পরিচালন দায়িত্ব কেন্দ্রিক হয়েছে এবং তার কর্মজীবনে সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃত্ব বিস্তার করার প্রস্তাব রয়েছে।
নতুন নিয়োগ কেন অপরিহার্য?
এই পরিবর্তনের পিছনে সংস্কার কর্মসন্ধি হিসেবে নিয়োগের মাধ্যমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে নতুন সম্প্রদায় এবং স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। তিনি বর্তমান মহাপরিচালক আব্দুস ছালাম খানের স্থান ত্যাগ করে তার স্থান গ্রহণ করছেন। কর্মসন্ধির শর্তাবলী অনুযায়ী তিনি বেতন কাঠামোর সর্বোচ্চ গ্রেডে (গ্রেড – ১) সব ধরনের বেতন ও ভাতা গ্রহণ করবেন। এই নিয়োগ হবে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগ করা পরিচালকদের সাথে নতুন কর্মসন্ধির মাধ্যমে ঘোষিত হয়েছে।
ডিজি মুহাম্মাদ মুহিববুল্লাহিল বাকী: সামাজিক বিশেষত্ব
নতুন মহাপরিচালক ডিজি মুহাম্মাদ মুহিববুল্লাহিল বাকী ইসলামিক ফাউন্ডেশনে কর্মসম্পর্কে প্রাপ্ত স্বাক্ষরে স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হিসেবে কর্মকর্তা ছিলেন। ইসল ম ক ফ উন ড এর পরিচালন বিষয়ে তার সামাজিক সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সূত্র দেওয়া হয়েছে। তিনি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসা থেকে প্রাপ্ত শিক্ষার উপর ভিত্তি করে সংস্কার কর্মসন্ধি বিস্তার করছেন।
তার ব্যক্তিগত কর্মজীবনে একটি বিশেষ অর্থ রয়েছে। তিনি ভারতের বিখ্যাত দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামা থেকে শিক্ষার্থী হিসেবে প্রাপ্ত শিক্ষার উপর ভিত্তি করে কর্মসন্ধি পরিচালন করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগে তিনি অধ্যয়ন করেছেন এবং কওমি ধারায় দাওরায়ে হাদিস ও আলিয়া ধারায় কামিল পদক পেয়েছেন। এই শিক্ষাগত স্বাক্ষর তাকে ইসল ম ক ফ উন ড এর নতুন কর্মসম্পর্কে প্রতিষ্ঠান পরিচালন করতে সক্ষম করেছে।
তার আন্তর্জাতিক সুপরিচিতি বিশেষ করে মিশর ও ভারতে বিচারক হিসেবে প্রতিষ্ঠান পরিচালন করা হয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় স্থান অধিকার করেছেন এবং এই কাজে নতুন ধরনের আলেম কর্মসম্পর্কে প্রতিষ্ঠান পরিচালন করার সূত্র দেওয়া হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন নতুন পরিচালনে তার আপেক্ষিক দায়িত্ব বিস্তার করছে এবং ধর্মীয় অঙ্গনে এই পরিবর্তন কেন অপরিহার্য হয়েছে তা নির্ণয় করা হয়েছে।