লালমনিরহাটের কৃষকদের বিপদে পড়ছে প্রকৃতি এবং বাজারের মুখে
ব ম প র ফলন হল ও – লালমনিরহাটের বোরো ধান চাষিরা সোনালি ধানের মাঠে আবার বৃষ্টির সম্ভাবনার কারণে অনিশ্চিততার মুখে আছেন। বর্তমানে বাজারে ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা মণে, যা উৎপাদন খরচের চেয়ে কম। কৃষকরা জানাচ্ছেন যে বৃষ্টি হলে কাটা ধান তলিয়ে পড়বে এবং সম্পূর্ণ ক্ষতির মুখে আসবে।
এ বছর জেলায় বোরো ধানের আবাদ হয়েছে ৪৮ হাজার ১১০ হেক্টর, যা লক্ষ্যমাত্রা অপেক্ষা ১১০ হেক্টর বেশি। ফলনও ভালো হয়েছে বলে জানায় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। তবে অনেক কৃষক আবার ধান কাটতে সাহস পাচ্ছেন না, কারণ আকাশজুড়ে বৃষ্টির আশঙ্কা থাকার কারণে ধানের ভালো ক্ষতি হতে পারে।
‘সপ্তাহখানেক আগে ধান পেকেছে, কিন্তু বৃষ্টির ভয়ে কাটতে পারছি না। কাটলে শুকাতে না পারলে সব নষ্ট হয়ে যাবে।’ আদিতমারী উপজেলার ভাদাই গ্রামের কৃষক সবুর মণ্ডল বলেন।
আবার সদর উপজেলার কালমাটি গ্রামের শফিকুল ইসলাম উল্লেখ করেন যে সরকার ধানের দাম নির্ধারণ করেছে ১,৪০০ টাকা মণে, কিন্তু বাজারে তাদের পাওয়া যাচ্ছে কম। সে কথা দিয়ে স্পষ্ট করেন যে লাভ সব মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে যাচ্ছে।
সরকারি গুদামে বিক্রি করলে কৃষকের লোকসান কমবে বলে আশা জানালেন অধিদপ্তরের উপপরিচালক
লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাইখুল আরিফিন বলেন, ধান শুকালে সরাসরি সরকারি গুদামে বিক্রি করলে কৃষকদের লোকসান এড়ানো সম্ভব। তিনি আরও জানান যে কৃষকদের ধান কেনাবেচার জন্য তালিকা খাদ্য বিভাগে পাঠিয়েছেন।