৩০ বছর পর সতীর্থদের মিলনমেলা: মধুপুর এলাকায় শিক্ষার আলো ফিরে আসা উৎসব
৩০ বছর পর সত র থদ র – মধুপুরে শিক্ষার আলো ফিরে আসা হালকা মিলনমেলায় সামিল হন প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং বর্তমান ছাত্রছাত্রী করেছেন প্রায় দেড় হাজার মানুষ। এই মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে টাঙ্গাইলের মধুপুর এলাকায় অবস্থিত রামজীবন স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের মধুপুর এলাকায় সতীর্থদের মিলনমেলা আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ করে ৩০ বছর পর সতীর্থদের মিলনমেলা হিসাবে। অনুষ্ঠানটি গত ৩১ মে সম্পন্ন হয়, যখন শিক্ষার্থীদের সাংগঠনিক উৎসব এই স্থানে প্রতিষ্ঠিত হওয়া হয়েছিল এবং এই আলোচনা সভার পর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
স্থানীয় স্কুলের ঐতিহ্য ও উদ্বোধনী কার্যক্রম
রামজীবন স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৪ সালে। সন্তোষ কুমার ম্রং ও বিরাজিনী সাংমা দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হওয়া স্কুলটি সামিল হন এক দম্পতি বিশেষ সম্প্রদায়ের মাঝে সাংস্কৃতিক উৎস হিসাবে স্থান পেয়েছিল। আজকের মিলনমেলার মাধ্যমে দীর্ঘ সময় পর প্রিয় বন্ধুদের পাশে পেয়ে সবার মাঝে প্রাণের স্পন্দন ফিরে আসে সেই আগ্রহের মাধ্যমে যে বিশেষ সম্প্রদায়ের কথা বলা হয়েছিল।
৩০ বছর পর সতীর্থদের মিলনমেলার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন। মধুপুর উপজেলা ইউএনও জুবায়ের হোসেন ও শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম ওবায়দুল্লাহ দীর্ঘ সময় পর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধুপুর এলাকায় উদ্বোধনী আলোচনা সভার মাধ্যমে সামিল হন। প্রবীণ শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান ও অতিথিদের বরণ করা হয় উদ্বোধনী আলোচনা সভার পর সম্পন্ন করা হয়।
অনুষ্ঠানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্মৃতি
সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজনে বিদ্যালয় এলাকার বর্ণিল আলোকসজ্জা ও সতীর্থদের আড্ডা কার্যক্রম মধ্যরাত পর্যন্ত চলে। আয়োজক কমিটির সদস্য শামসুর রাহমান বলেন,
প্রায় দেড় হাজার সতীর্থের সহযোগিতায় এই আয়োজন সফল হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর প্রিয় বন্ধুদের পাশে পেয়ে সবার মাঝে প্রাণের স্পন্দন ফিরে এ