হিজবুল্লাহ’র যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রস্তাবের নাক কাটা
যুদ্ধবিরতির নতুন প্রস্তাব বৃদ্ধি করেছে উত্তেজনা
হ জব ল ল হ র য – ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আবার উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। সামান্য শান্তি ফেরানোর প্রস্তাবে হিজবুল্লাহ স্পষ্টভাবে এই আলোচনার বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা বিবিসি এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
হামলা অব্যাহত থাকায় প্রশ্ন উঠেছে চুক্তির প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে
বৈরুতসহ দক্ষিণ লেবাননে হামলা বন্ধ হয়নি। এ কারণে যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এমন এক সময়ে প্রতিক্রিয়া আসে, যখন ইসরাইল ও লেবানন একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি পুনর্নবীকরণের ঘোষণা দেয়।
চুক্তির প্রধান বিষয়গুলো
এই প্রস্তাবে লেবাননের ভেতরে একটি ‘পাইলট জোন’ গঠনের কথা আছে। এখানে হিজবুল্লাহ সদস্যদের প্রবেশ নিষিদ্ধ হবে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়, চুক্তি কার্যকর হবে শুধুমাত্র হিজবুল্লাহ যুদ্ধ বন্ধ করলে।
হিজবুল্লাহ নেতা দ্বারা চুক্তির মূল্যায়ন
হিজবুল্লাহ নেতা নাইম কাসেম বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছেন, এই প্রস্তাবটি হিজবুল্লাহকে সরাসরি ইসরাইল সীমান্ত থেকে সরে যেতে বাধ্য করার চেষ্টা। তিনি এটিকে আত্মসমর্পণের সমান বলে মনে করেন।
“একপক্ষীয় যুদ্ধবিরতি হতে পারে না, এটা হয় উভয় পক্ষের, না হলে কোনো যুদ্ধবিরতি নয়।”
“এটা শান্তি নয়, এটা আত্মসমর্পণ।”
আংশিক যুদ্ধবিরতির পর চুক্তি আসে
সোমবার ঘোষিত আংশিক যুদ্ধবিরতির পর হিজবুল্লাহ সদস্যদের ইসরাইল সীমান্ত ও লিতানি নদীর মধ্যবর্তী প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকায় সরিয়ে নেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়। ওই এলাকায় বর্তমানে ইসরাইলি সেনাবাহিনী অবস্থান করছে।
চুক্তিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সেই এলাকার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। এখানে লেবাননের সেনাবাহিনী এককভাবে পরিচালনা করবে এবং কোনো অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠী থাকবে না। কিন্তু নির্দিষ্ট মানচিত্র বা বিস্তারিত ব্যাখ্যা ছিল না।