হামের প্রাদুর্ভাব: চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল
হ ম র প র দ র – আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ক্ষুব্ধ করে দেশে হাম ও হামজনিত নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব গত মাস থেকে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। হাম প্রতিরোধে অপরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কারণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীন সব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হাম প্রতিরোধের লক্ষ্যে টিকা দেওয়া কার্যক্রম তীব্র করার জন্য কর্মরতদের অর্জিত ছুটি এবং নৈমিত্তিক ছুটি স্থগিত করা হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
আক্রান্ত সংখ্যা বাড়ছে দ্রুত হারে
গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছিল এবং এটি প্রথম পর্যায়ে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকার শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এখন পর্যন্ত হামের সংক্রমণের সংখ্যা প্রায় ৫৮ হাজার ছাড়িয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা প্রায় ৫০০ ছুঁই ছুঁই পৌঁছেছে। শিশুদের মধ্যে হামজনিত নিউমোনিয়া বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েক গুণ। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ এখন অপরিস্থিতি তৈরি করছে। সরকারি হাসপাতালগুলো ইতিমধ্যে সঙ্কটাপন্ন হয়ে পড়েছে যেহেতু হাম প্রতিরোধ কাজে পরিচালনা করতে হাসপাতাল কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
এই বাতিল ছুটির নীতি হাম প্রতিরোধ কার্যক্রম তীব্র করতে সাহায্য করবে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দৈনিক চাপ দূর করতে দেশের প্রতিটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তারা পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ সময় দিতে বাধ্য হয়েছেন। এতে নিরাপদ চিকিৎসা সেবা বিস্তার করার পার্শ্বপরিচ্ছন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে হামের বিস্তার বেশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে যেহেতু এটি সাধারণ রোগের চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি প্রকোপ পেয়েছে।
স্বাস্থ্য ব্যবস্থার চাপ অপরিস্থিতি তৈরি করছে
আপনাদের সংখ্যা বাড়ছে হামের ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে হাসপাতালগুলোতে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মক্ষমতা কমে আসছে যেহেতু তারা প্রতিটি বৃদ্ধি করে অবিলম্বে কাজ করছেন। হাম প্রতিরোধের প্রক্রিয়ায় ক্ষমতার প্রয়োগ দ্বারা হাম চিকিৎসার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। বর্তমানে স্বাস্থ্য কর্মীদের ছুটি বাতিলের বিষয়টি প্রকৃতপক্ষে হাম বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় হারে কার্যকর করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পিছনে রয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চাপ। হাম এবং হামজনিত নিউমোনিয়া দুই ধরনের রোগের কারণে কর্মীদের আপনাদের সময় দিয়ে বিস্তার করতে হয়েছে। এ নির্দেশনার আওতায় স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মকর্তার সময়ে নিয়ন্ত্�