হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরানের কঠোর সতর্কবার্তা
হরম জ প রণ ল ত জ – ইরান আবারও হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের পূর্ণ কর্তৃত্ব পুনরায় ঘোষণা করেছে। সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে বিশ্বের সব বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজের প্রতি সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে, যারা এই সমুদ্র প্রণালি দিয়ে চলাচল করছেন। পরিচালনার আধুনিক পদক্ষেপ নিয়ে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হতে চলছে বলে মনে হয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ বিষয়ে শনিবার একটি লাইভ আপডেটে খবর প্রকাশ করেছে।
হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর নিরাপত্তি বিষয়ে ইরানের সতর্কবার্তা
হরমুজ প্রণালির সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কর্তৃত্বের অধীনে রয়েছে। ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিবৃতিতে জাহাজগুলোকে একটি নির্ধারিত আন্তর্জাতিক রুট বা লেন অনুসরণ করতে বাধ্য করা হয়েছে। কোনো জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে প্রবেশের আগে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডবাহিনী থেকে অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। বাধ্যতামূলক শর্তগুলো লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তেহরান নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করবে বলে আশংকা প্রকাশ করেছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী হরমুজ প্রণালি প্রবেশ করার পূর্বে বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজগুলোকে আন্তর্জাতিক সীমা অনুসরণ করতে হবে। ইরান বিশ্বাস করে যে হরমুজ প্রণালি কার্যকর ব্যবহারের জন্য সতর্কবার্তা সংক্রান্ত নীতি বাস্তবায়নের প্রয়োজন রয়েছে। এই নৌপথে প্রবেশ করার সময় জাহাজগুলো বিশেষ নিরাপত্তা প্রক্রিয়া মেনে চলতে হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ দায়ী হবে।
“হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলো এখন ইরানের সামরিক বাহিনী থেকে স্বাক্ষরিত অনুমতি ছাড়া অবৈধ ভাবে প্রবেশ করতে পারবে না।” সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে এটি পরিষ্কার ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তেহরান এমন একটি পদক্ষেপ নিয়েছে যে এটি বিশ্ব অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
হরমুজ প্রণালির অপরিহার্য ভূমিকা বিশ্ব তেল চলাচলের জন্য পরিচিত। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক পঞ্চমাংশ এই সমুদ্র প্রণালি বরাবর পরিবাহিত হয়। ইরানের এই নতুন নীতি তেল বিনিময় প্রসঙ্গে সতর্কতা বৃদ্ধি করতে চলছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও নৌ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।
বিশ্বের অনেক প্রতিষ্ঠান ইরানের এ কর্মকান্ড সম্পর্কে চিন্তা করছে। সামরিক বাহিনীগুলো �