সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন: বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়, একটিতে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী
স প র ম ক র ট – সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। বিএনপি প্রস্তাবিত নীল প্যানেল থেকে সভাপতি পদে ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আলী নির্বাচিত হন। বিজয়ী অন্য প্রার্থীদের মধ্যে সহসভাপতির দুটি পদ জয় করেন মো. মাগফুর রহমান শেখ এবং মো. শাহজাহান। কোষাধ্যক্ষ পদে মো. জিয়াউর রহমান এবং সহসম্পাদকের দুটি পদ জয় করেন মাকসুদ উল্লাহ ও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম মুকুল।
সাতটি সদস্য পদে বিএনপি নীল প্যানেলের ছয়জন জয়ী হন। তাদের নাম হলেন এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, এ কে এ এম আজাদ হোসেন, মো. কবির হোসেন, মো. টিপু সুলতান, মো. জিয়া উদ্দিন মিয়া ও ওয়াহিদ আফরোজ চৌধুরী। সদস্য পদের বাকি একটি ক্ষেত্রে জয় করেন জামায়াত সমর্থিত সবুজ প্যানেলের প্রার্থী মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। জাতীয় নাগরিক পার্টি সমর্থিত লাল-সবুজ প্যানেল থেকে কেউ জয়ী হতে পারেননি।
ভোটার উপস্থিতি ও নির্বাচন প্রক্রিয়া
নির্বাচনে মোট ১১ হাজার ৯৭ জন ভোটার ছিল, যার মধ্যে ৪ হাজার ৪৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটার উপস্থিতির হার গত বছরের তুলনায় কম ছিল। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০-২১ মেয়াদে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৯৪০টি ভোট পড়েছিল, কিন্তু ২০২৩-২৪ মেয়াদে ভোটার সংখ্যা ৮ হাজার ৬০২ হলেও ভোট পড়েছে ৪ হাজার ১৩৭টি। এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়ে গেলেও ভোট পড়েছে অর্ধেকেরও কম।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “আগে এই সিস্টেম ছিল না, এখন তো অন্য সিস্টেম হইছে। আগে হালকা আওয়াজ ছিল, আনন্দ ফুর্তি ছিল… কিন্তু এই মারামারি, হাউকাউ ছিল না।” তিনি বলেন, “আমাদের কাছে কোনো পক্ষ নাই, সবাই কলিগ। নানা জনের নানা মত থাকে।”
মনোনয়ন বাতিল ও আগের পরিবেশ
নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক ছিল। আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযোগের কারণে বিএনপির প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। প্রার্থীরা অভিযোগ করেন যে বিশেষ সাধারণ সভার মাধ্যমে তাদের আবেদন বেআইনিভাবে বাতিল করা হয়েছে, যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
প্রার্থিতা স্ক্রুটিনির দায়িত্ব বর্তমান সেক্রেটারির উপর ছিল। তিনি জানান, “প্রার্থিতা যাচাই-বাছাই করা সেক্রেটারির দায়িত্ব… কারে �