সাগরে ২৬ ব্লকে জ্বালানি অনুসন্ধানে দরপত্র প্রকাশ
স গর ২৬ ব লক জ ব – বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঘোষণা করেন যে গভীর ও অগভীর সমুদ্র এলাকায় তেল ও গ্যাস খননের জন্য ২৬টি ব্লকের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি জানান, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় স্বার্থ প্রাধান্য পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে কর্মকর্তারা উপস্থিত
গতকাল রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তার মধ্যে ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং বাপেক্সের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। পিএসসি প্রকৌশলী মো. শোয়েব এবং পেট্রোবাংলার পরিচালকও উপস্থিত ছিলেন।
“নির্বাচিত সরকার হিসেবে বর্তমান সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরি হয়েছে। আমি মনে করি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশকে আস্থার জায়গা হিসেবে দেখছে।”
মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ আরো বলেন, “জ্বালানি ছাড়া কোনো দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। গত দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার জ্বালানি খাতের অবস্থা দেখেছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কাজ শুরু করেছে। এখন পরিস্থিতি আগের তুলনায় ভালো হয়েছে।”
১৯৯৩ সালের বিডিং রাউন্ড ও বাপেক্সের সমস্যা
তিনি জানান, দেশের নির্ভরতা বৃদ্ধির কারণে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। গত সময়ে বিদেশি কোম্পানিগুলো নির্বাচনের পর বিডিং রাউন্ড পরিচালনা করা হয়েছিল। বর্তমানে দেশে সরবরাহ করা হচ্ছে গ্যাসের বড় অংশ তখন সাফল্য ক্ষেত্র থেকে আসছে। কিন্তু গভীর সমুদ্রে অনুসন্ধান কার্যক্রমে পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। প্রতিবেশী দেশগুলো সমুদ্রের নিচে গ্যাস উত্তোলন ও রপ্তানি করছে, অথচ বাংলাদেশ এখনো সম্পদের পরিমাণ নিশ্চিত করতে পারেনি।
“বাপেক্স প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি অর্জন করতে পারে না, তাই বিদেশি কোম্পানিগুলোর সাথে যৌথ উদ্যোগ করা হয়েছে।”
১৮০ দিনের মধ্যে নতুন বিডিং রাউন্ড আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইন-কানুন ও জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার মাধ্যমে যোগ্য কোম্পানিগুলো ব্লক হস্তান্তর করা হবে। সম্ভাব্য উত্তোলন সম্ভাবনা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পাবে।
নতুন নীতিমালা ও পাইলট প্রকল্প
প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “নির্বাচনী ইশতেহারের ভিত্তিতে সরকার দীর্ঘমেয়াদী জ্বালান