সরাইলে নিখোঁজ যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
সর ইল ন খ জ য বক – ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল-রাজাপুর সড়কের পাশ থেকে পুলিশ কর্মকর্তারা নামকরা এক যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছেন। ঘটনাটি সোমবার (১৮ মে) দুপুরে উপজেলার অরুয়াইল এলাকায় ঘটে। মৃত যুবক আবেদ আলী (১৭) হলেন পাকশিমুল ইউনিয়নের কালিশিমুল গ্রামের মতি মিয়ার ছেলে। তিনি অরুয়াইল দক্ষিণ বাজারের একটি মরিচের মিলে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। পরিবার থেকে জানা গেছে যে গত দিন সন্ধ্যার পর থেকে আবেদ আলী খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তাঁর বাড়িতে রাতে ফেরার দেখা না পেয়ে মিলের মালিক তার পরিবারকে সংবুদ দেন। পরবর্তী দিন সকালে লোকজন তাঁদের সাথে খবর পান যে সড়কের পাশে একটি লাশ পড়ে আছে। পরিবারের সদস্যরা সেটি আবেদ আলীর লাশ হিসেবে পরিচিত করেন।
নিখোঁজ যুবকের চোখে রহস্যের ছায়া
আবেদ আলীর গেলাপ ছাড়া ছিল ব্যাপক জন সংকট করে তুলেছে। তিনি তার সাথে কাজ করা সহযোগীদের দ্বারা অনুসন্ধান চালিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান যে যুবকটি বৃহত্তর সরাইল এলাকার মানুষ কিছু অদ্ভুত কাজে বিশেষ করে অতি সাম্প্রতিক দিনগুলিতে কোনও আশংকা ছিল না। তবে কিছু বাসিন্দা মন্তব্য করেছেন যে সরাইল এলাকায় বিশেষ করে রাজাপুর সড়ক যাতায়াতের সময় অস্ত্র ব্যবহারের প্রতিশোধে কার্যক্রম চালু হয়েছে। এ বিষয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান যে ঘটনার পর থেকে তাদের পুলিশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা সংক্রান্ত তদন্ত চালু করেছেন।
তদন্ত এবং ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি
সর ইল ন খ জ য বক ঘটনার পর থেকে তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গলাকাটা মরদেহটি উদ্ধার করেন। প্রাথমিক তদন্তে মৃত যুবকটির সাথে যুক্ত কোনও সামাজিক বা পারিবারিক আপোষ নেই বলে খবর পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য পুলিশ তার সাথে যুক্ত সব ব্যক্তিদের সাক্ষাতকার করছেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তদন্তের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, “আবেদ আলীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, কিন্তু হত্যার মূল কারণ খুঁজে বার করার জন্য আরও অনুসন্ধান চালু করা হয়েছে।”
তার পরিবার কর্মকর্তারা জানান যে আবেদ আলী সাধারণত রাতে বাড়ি ফেরত আসতেন। গত দিন সন্ধ্যার পর তাঁকে কাজে বিশেষ করে নোংরা করা হয়নি। এ বিষয়ে পুলিশ সংশ্লিষ্ট স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্বারা তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। আবেদ আলীর দুটি ভাই এবং দুটি বোন ছিল, তাঁদের প্রতিটি বাড়িতে কাজের সময় মুখে মুখে তাঁকে সাথে দেখা হয়নি। এ বিষয়ে আরও সূত্র থেকে জানা গেছে যে যুবকটি কোনও রাস্তার ধ্বংসাবশেষে নিখোঁজ হয়েছেন।
সরাইল উপজেলার অরুয়াইল এলাকার �