News

শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্যের প্রতীক ত্রিপুরা মহারাজার কাচারি বাড়ি

ত্রিপুরা মহারাজার কাচারি বাড়ি শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্যের মূল্যবান প্রতীক শ র মঙ গল র ঐত হ - শ্রীমঙ্গল শহরের হবিগঞ্জ সড়কে অবস্থিত ভগ্নপ্রায় কিন্তু গৌরবময় কাচারি

Desk News
Published May 24, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ত্রিপুরা মহারাজার কাচারি বাড়ি শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্যের মূল্যবান প্রতীক

শ র মঙ গল র ঐত হ – শ্রীমঙ্গল শহরের হবিগঞ্জ সড়কে অবস্থিত ভগ্নপ্রায় কিন্তু গৌরবময় কাচারি বাড়ি ত্রিপুরা রাজপরিবারের প্রশাসনিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক। এই শতবর্ষী ভবনটি শুধুমাত্র পুরানো একটি ঘর নয়; এটি শ্রীহট্ট অঞ্চলের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক ইতিহাসের স্থায়ী দলিল হিসেবে চিহ্নিত।

১৯শ শতকের পরবর্তী দিকে ডাউকি ফল্টে সংঘটিত ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ত্রিপুরা রাজপরিবার শ্রীমঙ্গলে প্রশাসনিক কার্যক্রম সুসংগঠিত করার জন্য উদ্যোগ নেয়। বীরচন্দ্র মাণিক্য দেববর্মন আমলে স্থাপিত এই কাচারি বাড়ি শ্রীমঙ্গল এলাকার কেন্দ্রে পৌনে ২ একর জমির উপর নির্মিত। খাজনা আদায় এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল এখানে।

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর এ ভবনের মালিকানা পরিবর্তিত হয়। পাকিস্তান সরকার অধিগ্রহণ করে এবং ধীরে ধীরে এটি সরকারি প্রশাসনে ব্যবহার করা হতে থাকে। বর্তমানে এটি শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভূমি অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এর প্রাচীন অংশে বড় একটি অংশ অবহেলায় পড়ে আছে।

এটি বিশেষ শৈল্পিক বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি একতলা ভবন। কাঠামোটি প্রায় ৩০ ফুট প্রস্থ ও ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের ছিল। এখানে তিনটি কক্ষ, আটটি দরজা এবং নয়টি জানালা রয়েছে। এক ফুট পুরু দেয়াল, চুন-সুরকির গাঁথুনি এবং সূক্ষ্ম কারুকাজ এটিকে অনন্য করে তুলেছে। ব্রিটিশ উপনিবেশিক এবং দেশীয় স্থাপত্যের মিশ্রণ স্পষ্ট।

বর্তমানে এ ভবনে সেই শৈল্পিক ছাপের অলংকরণ কিছু পরিমাণ চিহ্নিত থাকার সত্ত্বেও সময়ের নির্মমতার কারণে হারিয়ে যাচ্ছে এই ঐতিহাসিক স্থাপনা। দেয়াল পরিপূর্ণ ফাটলে রয়েছে, ছাদের ক্ষয় হচ্ছে এবং শেওলায় ঢাকা গাঁথুনি দীর্ঘদিনের অবহেলার চিত্র তুলে ধরছে।

ইতিহাসের ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়ে আছে স্থাপনাটি

আগে এখানে খাজনা আদায়ের দিনে উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল, প্রজাদের পদচারণায় মুখর ছিল। আজ সেখানে নীরবতা ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিহাসের সেই ব্যস্ত দিনগুলো যেন এখন কেবল স্মৃতির আবরণে আবৃত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কাচারি বাড়ি শুধু ত্রিপুরা রাজপরিবারের প্রশাসনের নিদর্শন নয়; এটি শ্রীহট্ট অঞ্চলের উপনিবেশিক ও দেশীয় শাসন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগসূত্র হিসেবে পরিচিত। সুতারপর এটিকে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে চিহ্নিত করে সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি হয়েছে।

এখন প্রশ্ন উঠছে, এই অতীতের প্রশাসন

Leave a Comment