শোলাকিয়ায় ঈদুল আজহার ১৯৯তম জামাত অনুষ্ঠিত
শ ল ক য় য় ঈদ ল – ২৮ মে বৃহস্পতিবার শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আজহারের ১৯৯তম বিশেষ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবহাওয়া কঠিন হওয়া সত্ত্বে হাজার হাজার মুসল্লি অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। সকাল ৯ টায় ইমাম মাওলানা মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ জামাতের শুরু করেন। তিনি নামাজের পর দেশ ও বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন।
অনুষ্ঠানের সাফল্যের জন্য প্রশাসন চার স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। মাঠে প্রবেশের আগে মুসল্লিদের তল্লাশি করা হয় যার জন্য ৫০টি মেটাল ডিটেক্টর এবং ৭টি আর্চওয়ে গেট ব্যবহার করা হয়। শর্টগানের ফাঁকা গুলি দিয়ে জামাত শুরুর সংকেত দেওয়া হয় যে আগে তিনটি, ১০ মিনিট আগে দুইটি এবং ৫ মিনিট আগে একটি গুলি ছুড়ানো হয়। নিরাপত্তার জন্য মুসল্লিদের শুধু জায়নামাজ নিয়ে মাঠে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।
অংশগ্রহণকারীদের তথ্য
প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে জামাত সুষ্ঠু ভাবে অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রসঙ্গে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্বারা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদ জামাত সম্পন্ন হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মিজাবে রহমত উল্লেখ করেন, সবার সহযোগিতার ফলে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রশাসনের সার্বিক প্রস্তুতি এবং সবার সহযোগিতায় মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদুল আজহার জামাত সম্পন্ন হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অংশ নেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম এবং কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের এমপি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল। এছাড়াও জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের জন্য ময়দান ও আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়।
শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান কিশোরগঞ্জ শহরের পূর্ব দিকে নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত। ইতিহাসে এই ময়দানে প্রথম বড় জামাতে সোয়া লাখ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেছিলেন। এই ঘটনার স্মৃতি থেকে মাঠটির নাম ‘শোলাকিয়া’ হয়েছে বলে প্রচলিত আছে।