লাঠিচার্জেও সরেননি বিক্ষোভকারীরা
ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে আন্দোলন
ল ঠ চ র জ ও সর – ১ জুন সকালে ইসলামী ব্যাংক ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে মতিঝিলের ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি প্রস্তুত করা হয়েছিল। অবস্থান নেওয়া প্রতিবেশীদের মধ্যে অত্যন্ত বিপুল সংখ্যক গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডার রয়েছেন। তারা নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের নিয়োগ বাতিল করতে এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহালের দাবিতে নেওয়া হয়েছিল। মানববন্ধনে বিপুল শক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়, যার ফলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংঘর্ষে পুলিশের সদস্যদের আহত করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, মানববন্ধন শুরু হতে পর্যন্ত সকালে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে অবস্থান নেওয়া পুলিশ সদস্যরা আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেখানে সংঘর্ষে পরিণত হওয়ার সাথে সাথে পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছেন। আহতদের সংখ্যা দেখায়, শান্তিপূর্ণ প্রতিবেশী মানববন্ধনে সাধারণ প্রতিরোধের পরিবর্তে বিপুল আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
অনুসন্ধান অনুসারে শতাধিক গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডার আহত হয়েছেন এবং প্রায় ৫০ জন গ্রাহক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের জন্য রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পুলিশ তাদের সাথে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছেন যার ফলে সড়ক জুড়ে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। মতিঝিল এলাকায় যানজট ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।
পুলিশের অভিযান ও আহতদের সংখ্যা
ডাক মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, পুলিশ বারবার আন্দোলনকারীদের সড়ক ছেড়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছেন কিন্তু তারা সরে না গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
“ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে কয়েকশ মানুষ অবস্থান নিয়েছিলেন যার ফল