রম্যগদ্য: “আরে আমি বিয়াই তো করি নাই…”
রম যগদ য – ব্যাপারটা কী, কে বিয়ে করেছে এবং কে বিয়ে হয়েছে এই বিষয়গুলি কেন জেন-জি’র পোলাপান দিয়ে বুঝবো না? কেন কেন বিবাহ একটি পবিত্র পারিবারিক বন্ধন এটা বর্তমান জেনারেশন বুঝবে না কেন?
“আরে বিবাহ তো একটি পবিত্র পারিবারিক বন্ধন, এইডা পিরথীবির ব্যাবাক জেনারেশন মানবো এবং বুইজ্জা নিবো এই নিয়া কুনোই সন্দ নাই, কিন্তু বিয়াই করিনাই এইডার মাইনে আপনে কি কোইতে চান হ্যেইডা বুজবো না।”
ঠিক আছে ছড়াটা হাস্যরসের আবেদন রাখে, কিন্তু তাই বলে তোর মতো এ্যতো হাসির কিছু নেই যে, ছড়া শোনার পর থেকে এখনও খ্যাক খ্যাক করে হাসছিস।
“হাসমু না! কন কী? কী সুন্দর ছড়া, যেই জিনিসটার কুনোই ঠিকানা নাই, কুনোই অস্তিত্ব নাই, হেই জিনিসটা আমরা খুঁইজ্জা বেড়াইতেছি। মনে করেন বাংলাদেশে গণতন্ত্র আছে? কাজীর খাতায় আছে, কিন্তু গোয়ালে নাই! বাংলাদেশে নিয়মের শাসন? কাজীর খাতায় আছে, কিন্তু কাচারিতে নাই! বাংলাদেশে মানবাধিকার? কাজীর খাতায় আছে, কিন্তু সমাজে নাই!”
থাম ভাই থাম, আমার ঘাট হয়েছে। তোকে আমার ছড়া বলাটাই ভুল হোয়েছে।
“ভুল হোইসে মাইনে! এই যে কয়’দিন আগে এক শুভ্রকেশ মহিলা কোইলেন, বাংলাদেশে যাগো গুল্লি ফুটানের কথা হ্যারা ময়রার পোলার মতো, মিষ্টি বেচে। যাগো দ্যাশের সীমান্তে ব্যাড়া দেয়ার কথা, হেই কাম থুয়া, হ্যারা প্রইভেট-পাবলিক পার্টনারশিপের মানে পিপিপি-এর, ব্যাবাগ ব্যাবসা বাগায়া লইতাছে।”
ভাই না ঢাবি বাংলায় অনার্স?
“হ্যাঁ, তো কী হয়েছে! এই কথা কোইতে আপনের লজ্জা করে না! আপনে বুঝেন না, আতা গাছে তোতা পাখি / ডালিম গাছে মৌ / গভীর রাতে উঠে দেখি / পাশে নাই বৌ / রাতের বেলা কোথা গেল / কোথায় তারে পাই / হঠাৎ করে পড়লো মনে / আরে আমি বিয়াই তো করি নাই।”
হি হি, দারুণ জিনিস হুনাইলেন মিয়া। অহনো হি হি, হাসি চাইপ্পা রাখার পারি না, হি হি।
এটা আবার কী বলছিস, জনগণ, লক্ষ মুক্তিযোদ্ধার প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা আবার বিসর্জন দিতো! দিবো না মিয়া, গত চু