‘যে টাকা আনবে সে নম্বর পাবে’, শিক্ষিকার অডিও ফাঁস
য ট ক আনব স নম বর – কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় শিক্ষিকার একটি অডিও ফাঁস হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষ আলোচনা তৈরি হয়েছে। সেই অডিওতে শিক্ষিকা ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে জানান দেন, “যে টাকা আনবে সে নম্বর পাবে, আর যে টাকা আনবে না সে নম্বর পাবে না।” এ কথাটি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর অনেকে মনে করছেন যে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা বিস্তার হচ্ছে এবং এটি প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিতে সংঘটিত হয়েছে।
অডিওতে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল টাকা সংগ্রহের প্রক্রিয়া
অডিও রেকর্ডে শোনা যায় যে শিক্ষিকা ছাত্রীদের কাছে টাকা আদায় করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “ব্যবহারিক পরীক্ষার প্রথম দিন টাকা দিতে হবে বলা হয়েছিল কিন্তু দ্বিতীয় দিন সবাইকে নির্দেশ দেন যে কমপক্ষে ৫ টাকা সংগ্রহ করতে হবে। যদি টাকা আনবে না তবে নম্বর পাবে না।” এ কথাগুলি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ছাত্রীদের সম্মুখীন হওয়া হয়েছিল এবং তারা বাধ্য হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানায়।
“টাকা আনতে বাধ্য হলে নম্বর পাবে না বলে কথোপকথন করেন। সাংবাদিক পরিচয় শুনে বলেন, ‘আমি খুব ব্যস্ত আছি! এক সেকেন্ড কথা বলার সুযোগ নেই।’”
অভিভাবক আনিছুর রহমান জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের যদি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা বিস্তার করে কৌতুকের পাঠ দিতে হয়, তবে সন্তানদের সুরক্ষা কে বলে দেওয়া হয়েছে। তিনি মনে করেন যে এ ধরনের ঘটনার সমাধান হতে হবে অভিভাবকদের স্বাক্ষরিত সংক্রান্ত নীতি তৈরি করে। কিন্তু কেউ কেউ বলছেন যে এখন সেই নীতি অমান্য হয়ে গেছে।
ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানে নতুন আক্রমণ
এই ঘটনার পর অনেক ছাত্র ও অভিভাবক নিজেদের সম্পর্কে আশঙ্কা জানায়। এ অডিও ফাঁসের পর অনেকে মনে করছেন যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়া শিক্ষিকার কথা সম্পূর্ণ ভিন্ন দিকে টানে। এটি কেবল ছাত্রীদের উপর চাপ বৃদ্ধি করে না, বরং প্রতিষ্ঠানের স্বাচ্চারণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাত্রীদের আরও বেশি চাপে ফেলেছে যে যে টাকা আনবে সে নম্বর পাবে বলে।
অভিভাবক আমিনুল ইসলাম জানান, এই কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়েছিল কিন্তু সেই প্রক্রিয়াটি কেবল টাকা আনবে সে নম্�