News

মিনার উটের ‘নহর’ এখন এসি কসাইখানায়

মিনার উটের ‘নহর’ এখন এসি কসাইখানায় ম ন র উট র নহর এখন - প্রাচীন কালে মিনায় পৌঁছানো হতো হাজিরা উটের পিঠ থেকে নেমে মরুভূমির বুকে কাফেলা বেয়ে। তাদের আগে বসত

Desk News
Published May 27, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মিনার উটের ‘নহর’ এখন এসি কসাইখানায়

ম ন র উট র নহর এখন – প্রাচীন কালে মিনায় পৌঁছানো হতো হাজিরা উটের পিঠ থেকে নেমে মরুভূমির বুকে কাফেলা বেয়ে। তাদের আগে বসত হাজার হাজার উট, ছাগল এবং ভেড়ার অপূর্ব মাঠ। দাঁড় করানো উটের বুকে ধারালো বল্লম দিয়ে আঘাত করে রক্ত প্রবাহিত করা ছিল তখনকার প্রথা। নাম ‘নহর’। সৌদি আরবের মিনার পাহাড়কে দিত এই প্রথার পরিচয়। কোরবানির মাংস শুকিয়ে বহুদূরে পথে সঙ্গ দেয় ‘আল-কাতিদ’ নামের লবণাক্ত খাবার।

শুকনো প্রথার সৌন্দর্য

ফ্রিজ বা কোল্ড স্টোরেজের যুগ তখন ছিল না। জিলহজ মাসের গরমে লাখ লাখ পশুর মাংস নষ্ট হয়ে যেত না— কারণ আরবরা এক জাদুকরী প্রথা জানত। মাংসের চর্বি ও হাড় আলাদা করে পাতলা ফালি করে পাথরে বিছিয়ে রোদে শুকিয়ে নেওয়া হতো। এই শুকনো মাংসের নাম ছিল ‘আল-কাতিদ’। প্রাচীন আরবের এই প্রথা ছিল সম্মানের চূড়ান্ত সূত্র।

ধরনার পরিবর্তন

মোগল বা উসমানি আমলে মিনার হাটে শুধু স্বর্ণমুদ্রার লেনদেন হত না। বেদুইনরা সিরিয়ার সুতি কাপড়, ইয়েমেনের কফি বা মদিনার খেজুর নিত পশুর বিনিময়ে। প্রাচীন আরবের বার্টার সিস্টেম ছিল সেই কালের অর্থনীতির সার। তবে বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি হজের পরিধি লাখ থেকে কোটির সীমা পেতে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোরবানি সংকট তৈরি হয়। লাখ লাখ পশুর রক্ত ও বর্জ্য পচে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াত। মহামারির ঝুঁকি বৃদ্ধি পেত এবং মাংসের নষ্ট হওয়া ছিল মানবিক সংকটের চিহ্ন।

এই সংকট মোকাবিলায় ১৯৮৩ সালে সৌদি রাজপরিবার এবং ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি) এক যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করে। চালু হয় ‘সৌদি প্রজেক্ট ফর ইউটিলাইজেশন অব হাজি মিট’ বা সংক্ষেপে ‘আদাহি’ প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মিনায় আধুনিক স্লটারহাউস তৈরি হয়। এখন পশু জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে বদ্ধ কসাইখানায় চালু হয়।

সৌদি আরবে কোরবানি দিতে আর মিনায় যেতে হয় না। ‘আদাহি’ অ্যাপ ডাউনলোড করলে বসে বসে কোরবানি দেওয়া যায়। কয়েক ক্লিকে বেছে নেওয়া যায় মাংসের প্রেরণ পরিচালনা— কোথায় গিয়ে পৌঁছাবে এবং কোন দরিদ্র দেশে পৌঁছাবে। মোবাইল ফোনেই চলে আসে রসিদ। এখন কোরবানির মাংস আর মিনার পাহাড়ে পড়ে থাকে না— বিশেষ রেফ্রিজারেটেড কন্টেইনার জাহাজে করে প�

Leave a Comment