তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙন ঘটিয়েছে মমতার পরিচালনার মূল বিষয়টি
মমত র ত ণম ল ভয় বহ – রাজ্যের রাজনৈতিক বাজারে বিশেষ পরিবর্তন এনেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই পরিবর্তন প্রকাশ্যে বিস্ফোরণে পরিণত হয়েছে যে কার্যকলাপের কারণে পালাবদলের পর থেকে তৃণমূলের মধ্যে অস্থিরতা বিস্তার পেয়েছিল।
ঋতব্রত ব্যানার্জী ও সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কৃত করা হয়েছিল, কিন্তু তাদের সমর্থনে নিজেদের উপস্থান ঘোষণা করে মোট ৫৮ জন বিধায়ক বিধানসভায় হাজির হয়েছে। তাদের চিঠি জমা দেওয়ার পর স্পিকারের কক্ষে গেলে তাদের আরও স্পষ্ট প্রতিবেদন দেওয়া হয়।
“আমরা ঋতব্রত ব্যানার্জীকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মেনে নিয়েছি।”
বিধায়কদের বৈঠকের পর তৃণমূলের ডেপুটি লিডার হিসেবে জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, সাবিনা ইয়াসমিন ও শিউলি সাহার নাম ঘোষণা করা হয়। মুখ্য সচেতক হিসেবে আখরুজ্জামানকে নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিধানসভায় ঢোকার আগে চন্দ্রনাথ সিংহ ঘোষণা করেন, “বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত ব্যানার্জীকে আমাদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।” তবে দলীয় সূত্র থেকে বলা হয়েছে যে বিভিন্ন বিধায়ক সরাসরি মন্তব্য করতে এড়িয়েছেন, কিন্তু তাদের প্রকাশ্যে উপস্থিতি দেখে সংখ্যার বিস্তার হয়েছে।
আগে পর্যন্ত বিধায়কদের অবস্থান প্রকাশ্যে স্পষ্ট হয়নি, কিন্তু প্রকৃত বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি চাওয়া হচ্ছে। সেই মতো বুধবার (৩ জুন) সকালে বিধানসভায় উপস্থিত হয়ে নিজেদের সমর্থনের দাবি জানিয়েছে প্রায় ৫২ জন বিধায়ক।
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জী স্পিকার রথীনবসুকে চিঠি দিয়ে বর্ষীয়ান নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানান। যদিও স্পিকার শহরে থাকার কারণে চিঠি গ্রহণ করা হয়নি।
বিশেষ মুহূর্তে বিদ্রোহী শিবির দ্বারা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে যে দলের নেতৃত্ব সম্পর্কে কোনও অনিশ্চয়তা নেই। অন্যদিকে তৃণমূলের পরিচালনার লাগাম যে মমতা ব্যানার্জীর হাতে আছে, তা স্�