বাংলাদেশ মঙ্গল অভিযান প্রতিযোগিতায় ঐতিহাসিক সাফল্যের সাক্ষী
মঙ গল অভ য ন প রত – ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মঙ্গল রোভার দল ‘ইউএমআরটি’ আন্তর্জাতিক ‘ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ ২০২৬’ প্রতিযোগিতায় বিশ্বমঞ্চে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এশিয়ার কোনো দল চূড়ান্ত পর্বে দেশের পতাকা উত্তোলন করেছে।
তৃতীয় স্থানে পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ
প্রতিযোগিতায় বিশ্বজুড়ে অংশগ্রহণকারী ১১৬টি দলের মধ্যে মাত্র ৩৮টি ছাড়া অন্য সব দল ফাইনাল পর্বে অংশ নিতে পারেনি। ইউআইইউ দলটি কেয়ার কেন্দ্রের প্রতিনিধি হিসেবে সেরা স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমের সাথে চূড়ান্ত পর্বে নেতৃত্ব দিয়েছে।
বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা ওড়ানোর অবিস্মরণীয় মুহূর্তটি স্মরণ করে দলের প্রতিনিধিরা বলেন,
“বিশ্বমঞ্চে আমাদের দলের পতাকা উত্তোলন ও ওড়ানোর অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। আমরা সেখানে গিয়েছি, লড়াই করেছি এবং দেশের জন্য ইতিহাস ছিনিয়ে এনেছি।”
ছাত্রদের প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে গৃহীত হয়েছে ঐতিহাসিক সাফল্য
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এই সাফল্য ছাত্রদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং মেন্টরদের নির্দেশনার ফসল। ইউআইইউ দলটি প্রমাণ করেছে যে বাংলাদেশ উন্নত রোবোটিক্সের ভবিষ্যতে শুধু অংশগ্রহণ করছে না, বরং এতে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা রয়েছে।
প্রতিযোগিতার মর্যাদাপূর্ণ সেরা স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম বিশেষ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত হয়েছে। দলটি অসাধারণ নেভিগেশন, পারসেপশন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা দেখায় নি। বৈশ্বিক তালিকায় স্থান নেওয়া তিনটি দলের নাম হলো মিসৌরি এসঅ্যান্ডটি মার্স রোভার ডিজাইন টিম (প্রথম), মোনাস নোভা রোভার (দ্বিতীয়) এবং বাংলাদেশের ইউআইইউ মার্স রোভার টিম (তৃতীয়)।
বিশ্বমঞ্চে পতাকা ওড়ানোর মুহূর্তটি স্মরণ করে দলের প্রতিনিধিরা আবার জানান,
“আমাদের দলের পতাকা বিশ্বমঞ্চে ওড়ানোর অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। আমরা সেখানে গিয়েছি, লড়াই করেছি এবং দেশের জন্য ইতিহাস ছিনিয়ে এনেছি।”
যুক্তরাষ্ট্রের মার্স ডেজার্ট রিসার্চ স্টেশনে আসরে বাংলাদেশের দলটি সবাইকে পেছনে ফেলে দাঁড়ায়।
আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা মর্যাদার সাক্ষী
এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এশিয়ার দল চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছেছে। এসব সাফল্যের পিছনে ছাত্র, মেন্টর, অ্যালামনাই এবং শিক্ষকদের নিরলস প্রচেষ্টার ফল হিসেবে গৃহীত হয়েছে।
ইউআইইউ দলটি প্রতিযোগিতায় �