News

ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যু, পানির নিচেও হাতে হাত

ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যু, পানির নিচেও হাতে হাত ভ ইক ব চ ত গ য় - তিস্তা নদীর তীরে ঘটে একটি দুর্দান্ত দুর্ঘটনা। ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে দুই সহোদরের

Desk News
Published May 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যু, পানির নিচেও হাতে হাত

ভ ইক ব চ ত গ য় – তিস্তা নদীর তীরে ঘটে একটি দুর্দান্ত দুর্ঘটনা। ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে দুই সহোদরের প্রাণ হারিয়েছে। ঘটনাটি শনিবার (১৬ মে) দুপুরে লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নে সলেডি স্প্যার বাঁধ এলাকায় সংঘটিত হয়। নিহতদের নাম হলো সিফাউল করিম ওরফে সিফাত (১৮) এবং সোহায়েব করিম ওরফে স্বচ্ছ (১৩)। দুই ছাত্র লালমনিরহাট ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী ছিল।

অনুপ্রাণিত প্রয়াস ও ভাইয়ের আত্মঘাতী প্রয়াস

তাদের বাবা রেজাউল করিম স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক। ঘটনার পর এলাকায় বিশেষ আবেগে শোকের ছায়া পড়েছে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই ভাই ছুটির দিন তিস্তা নদীর চরে ফুটবল খেলতে গিয়েছিল। খেলা শেষে তারা নদীর তীরে অবস্থিত ডিঙি নৌকায় ওঠে। এ সময় ছোট ভাই স্বচ্ছ হঠাৎ পানিতে পড়ে যায়। বড় ভাই সিফাত তার হাতে হাত করে বাঁচানোর চেষ্টা করে। তাঁর প্রতিশ্রুতি অপেক্ষাকৃত উঠেছে যে তিনি পানির নিচে থাকলেও ছোট ভাইয়ের হাত ছাড়েনি।

‘ছোট ভাই নদীর গর্তে পড়ে যাওয়ার পর বড় ভাই তাকে আবার আবার তোলার চেষ্টা করেছে। কিন্তু পানির নিচে থাকলেও তিনি স্বচ্ছকে ছাড়েনি। কিছু ক্ষণ পর দুই ভাইয়ের মৃত্যু ঘটে যায়,’ বলেন রাজপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা রুবেল ইসলাম।

তাদের মা ও বাবা গতকালই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বাবার পায়ের অস্ত্রোপচারের জন্য তিনি ছিলেন। বাড়িতে অভিভাবক না থাকার সুযোগে ছেলে দুটি নদীতে গিয়ে এই দুর্ঘটনার শিকার হয়। এ ঘটনায় দুই ভাইয়ের প্রাণ হারানোর পর তাদের পরিবারের বিশেষ দুঃখ ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় কর্মকর্তার তথ্য ও পরিস্থিতি বিশ্লেষণ

লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাদ ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে পানিতে ডুবেই দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষ ছেলেদের প্রাণহারণের পর স্থানীয় সদস্যদের সাথে সমন্বয় করেছেন। যদিও তিস্তা নদীর গর্ত সৃষ্টির কারণ নির্ণয় করতে হবে, তবুও ঘটনার পর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের কাছে গর্বের সাথে শোক প্রকাশ করেছেন।

বাড়ির অবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মাতার কথা শোনা যায়, তিস্তার জলে পড়া পরিবারের ছেলেদের বিশেষ স্মৃতি নিয়ে চিন্তা করেছেন। দুই ভাই যে পানির নিচে হাতে হাত করে ছিলেন, তা তাদের আত্মঘাতী সম্পর্কে বিশেষ সূত্র থেকে জানা যায়। এ সময় তাদের বাবা বাড়িতে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই ভাই ছুটির দিন পরিবারের সাথে সম্পর্কে কিছু ছিল না। তারা নদীতে গিয়ে খেলা করার পর ভাইয়ের বাঁচানোর জন্য গর্বে তীরে �

Leave a Comment