ব শ ক রব ন ঢ ক বিভাগে সর্বোচ্চ পশু কোরবানি
ব শ ক রব ন ঢ ক – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বর্তমান বছরে দেশে কোরবানির প্রতিমান প্রায় এক কোটি এক লাখ ছয় হাজার ত্রিশ তেত্রিশ চার হাজার পশু প্রাপ্ত হয়েছে। এ বছর গবাদিপশু কোরবানির দৃঢ় উৎসর্গ করা হয়েছে বিশেষ করে ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে অধিক পরিমাণে সংঘটিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষণা করেন যে কোরবানি শেষে উদ্বৃত্ত পশুর সংখ্যা হয়েছে ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪২২টি। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী গবাদিপশু কোরবানি হওয়া পশুগুলো দেশীয় খামারিদের সম্পদের মাধ্যমে সম্পূর্ণ পূরণ হয়েছে।
ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে প্রাধান্য
কোরবানি পশু সংখ্যার সর্বোচ্চ রেকর্ড ঢাকা বিভাগে দেখা গেছে। বিভাগটি এ বছর কোরবানি হয়েছে ২৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৬টি। রাজশাহী বিভাগে তার পরে সর্বোচ্চ পশু কোরবানি সংঘটিত হয়েছে যার পরিমাণ হয়েছে ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৮৬৯টি। পরবর্তী ক্রমানুসারে চট্টগ্রাম বিভাগে কোরবানি হয়েছে ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫টি, রংপুর বিভাগে ১০ লাখ ৫০ হাজার ৫৫৪টি এবং খুলনা বিভাগে ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৫টি। ময়মনসিংহ বিভাগে কোরবানি হয়েছে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮১৮টি, বরিশাল বিভাগে ৪ লাখ ১৬০টি এবং সিলেট বিভাগে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩২১টি।
উপস্থিত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন ও মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের মতে কোরবানি বৃদ্ধির কারণ ছিল সরকারের নীতি ও উদ্যোগীদের বিনিয়োগ। বর্তমান পরিস্থিতিতে কোরবানি করা পশু সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ২ লাখ ৩১ হাজার ৪১৮টি বৃদ্ধি পেয়েছে। মন্ত্রী বলেন, কোরবানি বিভাগে সম্পাদিত উদ্বৃত্ত পশু সংখ্যা এবং খামারি বাণিজ্যের পরিমাণ দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে শক্তিশালী করেছে।
উদ্বৃত্ত পশু বিতরণে আধুনিক প্রয়োগ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে কোরবানি পশু মোট প্রাপ্যতা হয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। যার মধ্যে গরু ও মহিষ হয়েছে ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ১৫৮টি, ছাগল ও ভেড়া ৪৫ লাখ ২ হাজার ২৩৩টি এবং অন্যান্য পশু ১ হাজার ২৭টি। কোরবানি শেষে উদ্বৃত্ত পশুর সংখ্যা দেশে হয়েছে ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪২২টি।
বিভা�