News

বিভাজনের রাজনীতি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ঐক্যের প্রশ্ন

বিভাজনের রাজনীতি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ঐক্যের প্রশ্ন ব ভ জন র র জন ত - যুক্তরাষ্ট্রে সমাজকে বিভিন্ন বর্ণ ও শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে বলে অনেক দিন ধরে মনে

Desk News
Published June 3, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বিভাজনের রাজনীতি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ঐক্যের প্রশ্ন

ব ভ জন র র জন ত – যুক্তরাষ্ট্রে সমাজকে বিভিন্ন বর্ণ ও শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে বলে অনেক দিন ধরে মনে হয়েছে। প্রচলিত বর্ণব্যবস্থার ভিত্তিতে ব্রাহ্মণদের জ্ঞানচর্চা ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত করা হতো, ক্ষত্রিয়দের শাসন ও প্রতিরক্ষার সাথে সম্পর্ক রয়েছে। বৈশ্যদের ব্যবসার সঙ্গে এবং শূদ্রদের সেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল। ঐতিহাসিকভাবে শূদ্র শ্রেণী সমাজের নিম্নতম স্তরে অবস্থিত ছিল। তাদের বিশেষ পদবি ও বৈশিষ্ট্য ছিল যেমন চামড়াজাত পণ্য প্রস্তুত, ঝাড়ু দেয়া ও মলমূত্র অপসারণ।

অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অবস্থা বিশ্লেষণের জন্য ১৯৭৯ সালে বিহারের সাবেক মন্ত্রী ও নেতা শ্রী বিন্দেশ্বরী প্রসাদ মণ্ডল কমিশন গঠন করেন। কমিশনের প্রতিবেদন ভারতীয় সংসদে ১৯৮০ সালের ৩১ ডিসেম্বর উপস্থাপন করা হয়। প্রতিবেদনে সামাজিক অবস্থান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংকলন করা হয়। এর ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বিভক্ত ও দুর্বল করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন উপগোষ্ঠী ও পদবি সৃষ্টি করা হয়। একই পেশায় নিয়োজিত মানুষদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব এবং পরিচয়ের বিভাজন প্রতিষ্ঠিত হয়। এর কারণে তাদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ও ঐক্য গড়ে তোলা কঠিন হয়ে ওঠে।

সামাজিক বৈষম্য ও অবস্থান

জীবিকার তাগিদে এবং চরম দারিদ্র্যের কারণে অনেক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ অত্যন্ত কষ্টকর জীবন বয়ে আনতে হয়েছে। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক সুযোগ-সুবিধা থেকে দীর্ঘদিন বঞ্চিত থাকার ফলে তারা মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছে। মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল এবং সামাজিক বৈষম্যের মুখে পড়েছে। এই বিভাজনের কারণে তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতার বিস্তার অসম্ভব হয়ে ওঠে।

আদিবাসী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী

আদিবাসী পরিচয়ের সাথে দেশে-বিদেশে নানা বিতর্ক রয়েছে। যারা প্রাচীন সময় থেকে নিজস্ব সংস্কৃতি ও ভাষা বজায় রেখেছেন, তাদের আদিবাসী বলে চিহ্নিত করা হয়। বাংলাদেশে সরক

Leave a Comment