মৌলভীবাজারের পশুর হাটে বন্যার প্রভাব
বন য র প রভ ব ম – বোরো মৌসুমে বন্যার সামান্য প্রভাব মৌলভীবাজারের পশুর হাটগুলোতে আকস্মিক ব্যবসায়ীদের দাবি ব্যবসায়িদের দুর্দান্ত সমস্যা সৃষ্টি করেছে। গত কয়েক দিন ধরে এখানে পশুর বিক্রি বেড়ে গেছে কিন্তু ক্রেতা সংখ্যা একেবারে কম। বিক্রেতারা শেষ দুই দিনে বিক্রি জমজমাট হবে বলে আশা করছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, বন্যার কারণে প্রায় ২৫ হাজারের বেশি কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের বাড়ি বা খামার থেকে নিয়মিত পশু বিক্রি করে দিয়েছেন এবং ক্রেতা কম হওয়ায় বাজারে মন্দা বেড়ে গেছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত থেকে গরু বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এই খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বাজারে পশুর সরবরাহ অস্বাভাবিক বেড়ে গেলে দাম কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অভিযোগ ও আশা
বিক্রেতাদের দাবি, এবার দাম কম হওয়ায় ক্রেতারা বিক্রি হচ্ছে কম। বনগাঁও গ্রামের চেরাগ মিয়া জানান, তার গরুটি এক পাইকার কিনেছিলেন, যিনি পরে সেটি কোরবানিদাতার কাছে বিক্রি করেন। ঈদের আগের দিন ওই ব্যবসায়ী গরুটি ক্রেতার বাড়িতে পৌঁছে দেবেন।
টেংরা বাজারে ১৫টি গরু নিয়ে আসা নিয়মিত ব্যবসায়ী রূপিয়ান মিয়া বলেন, ‘এবার বাজারের পরিস্থিতি ভালো নয়, ক্রেতা কম। যারা আসছেন, দরদামের ব্যবধান বেশি হওয়ায় কিনে ফিরছেন না। শেষ মুহূর্তে বাজার হয়তো খুব চড়া হবে, না হয় একেবারে মন্দা যাবে।’
পৌর শহরের এক প্রবীণ ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বন্যায় ফসলের ক্ষতি ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে মানুষের হাতে এখনো পর্যাপ্ত টাকা আসেনি। অন্য বছর ঈদের দুই দিন আগে যেখানে দোকানে তিল ধারণের জায়গা থাকে না, এবার সেখানে বেচাকেনা বেশ ধীর হয়েছে।
আদমপুর ইউনিয়নের উত্তরভাগ ও হেরেঙ্গা বাজার এলাকায় কোরবানির পশু বিক্রি হচ্ছে কিন্তু ক্রেতার সংখ্যা বেশ কম। পাশাপাশি হাটে পশু কিনলে যে হাসিল দিতে হতো, তা বেঁচে যায়। ফলে দাম কিছুটা বেশি হলেও সার্বিকভাবে খরচ কম পড়ে।