News

‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে মোহতাসিম খানের ‘আপত্তি’

মোহতাসিম খানের বন্দে মাতরম অপেক্ষা মতবাদ স্থাপনে আপত্তি বন দ ম তরম ন য় ম - জামাত-ই-ইসলামি হিন্দের সহ-সভাপতি মালিক মোহতাসিম খান পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসাগুলিতে

Desk News
Published May 22, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মোহতাসিম খানের বন্দে মাতরম অপেক্ষা মতবাদ স্থাপনে আপত্তি

বন দ ম তরম ন য় ম – জামাত-ই-ইসলামি হিন্দের সহ-সভাপতি মালিক মোহতাসিম খান পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসাগুলিতে ‘বন্দে মাতরম’ বাধ্যতামূলক করার বিষয়ে আপত্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেন যে কোনও সরকার নাগরিকদের উপর নির্দিষ্ট কোনও গান গাওয়ার চাপ তৈরি করতে পারে না। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেশপ্রেম বা দেশের প্রতি শ্রদ্ধা যে কোনও মাধ্যমে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া যায় না।

শ্রদ্ধা ও স্বাধীনতা সম্পর্কে আলোচনা

এদিন মোহতাসিম খান তার মতবাদ বিস্তার করেন যে দেশকে ভালোবাসা এবং দেশের প্রতি শ্রদ্ধা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অনুভূতির বিষয়। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে গান গাওয়ার অধিকার ব্যক্তিগত হওয়া উচিত এবং বাধ্যতামূলক নির্দেশে পরিণত হওয়া যাবে না। তার কথায়, মাদ্রাসাগুলিরও এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে।

“কেউ চাইলে ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে পারেন, কিন্তু কেউ যদি গাওয়া চান না, তাহলে তাকে বাধ্য করা উচিত নয়।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী এটি শুধুমাত্র পরামর্শ হিসেবে দেওয়া হলে তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে, কিন্তু বাধ্যতামূলক নির্দেশে পরিণত হলে তা সুপ্রিম কোর্টের মতবাদের বিরোধী হবে।

ইদ-উল-আজহার উপলক্ষে মুসলিম সমাজের উপর মন্তব্য

পাশাপাশি, ইদ-উল-আজহা উপলক্ষে কোরবানির বিষয়ে তিনি আরও মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন যে মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে গরু ছাড়াও মহিষ, ছাগল, ভেড়া সহ অনেক বিকল্প রয়েছে। তাই গরু কোরবানি নিয়ে জোরাজুরি করার দরকার নেই।

তবে তিনি গবাদি পশুর বেচাকেনার উপর কড়া বিধিনিষেধের সমালোচনাও করেন। তাঁর মতে, দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির একটি বড় অংশ পশুপালন এবং গবাদি পশুর ব্যবসার উপর নির্ভরশীল। এমন নিষেধাজ্ঞা অর্থনীতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি অতিরিক্ত সতর্ক করেন যে বড় কসাইখানাগুলির মাংস প্রক্রিয়াকরণ ও রপ্তানি বিষয়েও সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

Leave a Comment