News

ফারাক্কা বাঁধ পরিদর্শনে ভারতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল, হবে যৌথ বৈঠক

ফারাক্কা বাঁধ পরিদর্শনে ভারতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল, হবে যৌথ বৈঠক ফারাক্কা বাঁধ: বাংলাদেশের পানির অধিকার ও পরিবেশ বিষয়ে চিন্তা ফ র ক ক ব ধ পর

Desk News
Published May 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ফারাক্কা বাঁধ পরিদর্শনে ভারতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল, হবে যৌথ বৈঠক

ফারাক্কা বাঁধ: বাংলাদেশের পানির অধিকার ও পরিবেশ বিষয়ে চিন্তা

ফ র ক ক ব ধ পর – ফারাক্কা বাঁধ পরিদর্শন এবং যৌথ কমিটির বৈঠকে অংশ নিতে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ভারতে যাচ্ছে। গঙ্গার পানি বণ্টনে দুই দশক বা তিন দশক পর তৎকালিন আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের সঙ্গে ৩০ বছরের চুক্তি করেছিল, যা আগামী ১২ ডিসেম্বর শেষ হবে। এই চুক্তি অনুসারে ফারাক্কা বাঁধ থেকে পানি বণ্টন করা হয় ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত। ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য ছিল কোলকাতা বন্দর পলি দূর করতে সচল ও নাব্য রাখা। কিন্তু বাংলাদেশের জন্য এই বাঁধটি একটি জটিল সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ১৯৬১ সালে নির্মাণ শুরু হয়ে সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ২১ এপ্রিল ১৯৭৫ সালে।

ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশ সীমান্তে পানির বণ্টনের জন্য সংক্ষিপ্ত একটি ক্ষমতা দেয় এবং ভারতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিদিন পানির সরবরাহ হয়। তবে বাংলাদেশের মূল দাবি হলো ফারাক্কা বাঁধের মাধ্যমে ভারত অনুমোদিত পরিমাণ পানি দিচ্ছে না। বিশেষ করে ফারাক্কা বাঁধের প্রতি বছর বাংলাদেশের প্রতিদিন পানি সরবরাহের পরিমাণ কমে আসছে। এটি বাংলাদেশের পরিবেশ ও অর্থনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট। ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদী থেকে প্রায় ৪০ হাজার কিউসেক পানি ভাগীরথী-হুগলী নদীতে প্রবাহিত করার জন্য নির্মিত হয়েছিল। বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে ফারাক্কা বাঁধ চালু হওয়ার পর থেকে পানি প্রবাহ কমে যাওয়ায় কৃষিকারীদের প্রতিকূল পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের কয়েকটি জেলায় বিপর্যয় ঘটেছে। এই বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন লংমার্চ সহ নানা আন্দোলন করেছে।

ফারাক্কা বাঁধের চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশ সরকার চিন্তা করছে। বাংলাদেশের পরিবেশ ও কৃষি ক্ষেত্রে ফারাক্কা বাঁধের প্রভাব বেশ স্পষ্ট। এই বাঁধটি বাংলাদেশের কয়েকটি জেলা বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে পানি সরবরাহ কমে যাওয়ায় কৃষকদের দুর্দশা দেখা দিয়েছে

Leave a Comment