প্রাচীন পঙ্খিরাজ নদীর পুনঃখননের দাবিতে রাজপথে সংস্কৃতকর্মীরা
প র চ ন পঙ খ র – প্রাচীন পঙ্খিরাজ নদীর পুনঃখনন ও সংরক্ষণের দাবিতে সোনারগাঁয়ে নারায়ণগঞ্জের পানাম নগরীর সামনে একটি উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংস্কৃতিক সংগঠনটি এই পরিচয় প্রদান করেছে যে পঙ্খিরাজ নদী ছিল প্রাচীন বাংলার ঐতিহাসিক রাজধানী সোনারগাঁয়ে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান পথ। এটি অর্থনীতি ও সংস্কৃতির বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল, কিন্তু বর্তমানে অবৈধ দখল এবং পরিবেশ দূষণের কারণে সেই সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।
নদীর ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও মৃতপ্রায় অবস্থা
পঙ্খিরাজ নদী ছিল সোনারগাঁ এবং পানাম নগরীর মধ্যে সংযোগের প্রধান চৌমুহন। ঐতিহাসিক কাহিনী অনুযায়ী, এই নদী ছিল এলাকার অর্থনীতি ও সংস্কৃতির প্রাণ। বর্তমানে নদীটি ক্ষয়-ক্ষতির শিকার হয়েছে এবং আরও প্রাচীন পঙ্খিরাজ নদীর সম্প্রদায় ও ঐতিহ্য বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অর্থনীতি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, পঙ্খিরাজ নদী সংরক্ষণ ছাড়া এই অঞ্চলের ঐতিহাসিক মূল্য ক্ষীয়মান হবে।
সংস্কৃতিক সংগঠনের বক্তব্য
সংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতি কবি ও সংস্কৃতিকর্মী শাহেদ কায়েস বলেন, প্রাচীন পঙ্খিরাজ নদী বিলুপ্ত হলে এই অঞ্চলের ঐতিহ্য ও পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এটি নির্দেশ করেছেন যে সরকারকে দ্রুত পুনঃখননের প্রতি সচেতন হওয়ার দরকার রয়েছে যাতে নদীটি আবার সৌন্দর্য ও সংস্কৃতির প্রতিষ্ঠান হিসেবে চূড়ান্ত বিপদ থেকে বাঁচতে পারে। তিনি বলেন, সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে পঙ্খিরাজ নদীর সংরক্ষণের জন্য সরকারকে দাবি জানানো হচ্ছে এবং এই আন্দোলন সম্পূর্ণ গ্রামীণ জনগণের মাধ্যমে চালিত হচ্ছে।
পঙ্খিরাজ নদী ছিল প্রাচীন পঙ্খিরাজ নদী সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যের চিহ্ন। তাই আরও কমিটির প্রতিনিধিরা বলেন যে নদীটি সংস্কারের জোর দাবি জানানো হয়েছে যাতে এই অঞ্চলের জনজীবন ও ঐতিহ্য পুনঃস্থাপিত হয়ে যায়।
অনুষ্ঠানের প্রামাণ্য বিষয়গুলি
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের উপদেষ