News

প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার ভাঙারিতে বিক্রি

প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি ঘটেছে প রধ নমন ত র র ল - ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টের্ররিজম অ্যান্ড ট্র্যান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিসিটি) ইউনিট

Desk News
Published June 5, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি ঘটেছে

প রধ নমন ত র র ল – ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টের্ররিজম অ্যান্ড ট্র্যান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিসিটি) ইউনিট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংবেদনশীল লাল টেলিফোন সংযোগের তামার তার চুরির ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ ঘোষণা করেন। তিনি জানান, আসামিদের কাছ থেকে আট কেজি চোরাই তামার তার উদ্ধার করা হয়েছে।

ঈদুল আজহার ছুটির মধ্যে ঘটে ঘটনা

গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাটি ঈদুল আজহার ছুটির সময়ে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের তার চুরির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) কর্তৃপক্ষ শাহবাগ থানায় মামলা করেছিল। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

“রঞ্জন চন্দ্রের প্রদান করা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে,” ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ জানান।

তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া

সিটিসিটি ইউনিট তদন্ত শুরু করেছে এই ঘটনার গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতার কারণে। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের তার চুরি সম্পর্কে কিছু সন্দেহ উঠেছে। আসামি রঞ্জন চন্দ্রকে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়।

জিজ্ঞাসাবাদের পর রঞ্জন চন্দ্র স্বীকার করেন যে গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি তামার তার চুরি করেন। পরে তার কাছ থেকে ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেখানো মতে চকবাজার থানার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের হোসনি দালান রোডে একটি ভাঙারি গুদাম থেকে আট কেজি দশ গ্রাম তামার তার উদ্ধার করা হয়।

অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে

ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ জানান, সচিবালয়ের বিভিন্ন সংযোগ তার চুরির সাথে সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত রয়েছে। চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার রক্ষার জন্য নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে তিনি অনুমান করেন।

Leave a Comment