প্যাক্স আমেরিকানা’র পতন ও বিশ্ব রাজনৈতিক পরিবর্তন
প য ক স আম র ক – প্যাক্স আমেরিকানা কমন পরিবর্তনের একটি স্পষ্ট চিহ্ন হিসেবে আজ বিশ্বব্যবস্থার মূল প্রতিযোগী হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। ইতিহাস এতটা সহজে নিজেকে পরিবর্তনের চিহ্ন দেখায় না, কিন্তু বেশিরভাগ মহান পরিবর্তন শুরু হয় সাধারণ দৃষ্টিকৌশলে অনুপলব্ধ ক্ষেত্রে। ১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের বেইজিং সফর ছিল একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ পুনর্গঠন করে চীনকে জাতিগত সম্পর্কের পুনরায় বিক্ষিপ্ত হয়ে যাওয়ার প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।
নতুন ভূমি গড়ে তুলার প্রতীক হিসেবে চীনকে প্রতিষ্ঠা
বেইজিংয়ের প্রতিক্রিয়া আজ চীনের অনুপ্রবেশ প্রক্রিয়ার একটি স্থায়ী চিহ্ন হিসেবে গৃহীত হচ্ছে। প্যাক্স আমেরিকানা পরিবর্তনের প্রতিফলন হিসেবে বিশ্বব্যবস্থার সমতা সম্পূর্ণ রূপে বিক্ষিপ্ত হয়ে গেছে। কোনো রাষ্ট্র যে বৈশ্বিক ক্ষেত্রে আধিপত্য বিস্তারে ক্রমশ সামরিক দৃঢ়তা জড়িয়ে বসেছে সে বাস্তবতা এখন প্যাক্স আমেরিকানা পতনের চিহ্ন হিসেবে স্থান পেয়েছে।
স্নায়ুযুদ্ধের পরে যুক্তরাষ্ট্র একটি উদার আত্মবিশ্বাসের সময় কাটিয়েছে। আমেরিকার সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রাধান্য সে সময় আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার স্থায়ী গুণাঙ্ক হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। ওয়াশিংটনের বেশি প্রাচুর্য আছে বলে মনে হত চীন ধীরে ধীরে পশ্চিম রাজনৈতিক মডেলের দিকে ঝুঁকবে। কিন্তু তখনকার ধারণা আজ শুধু অসম্পূর্ণতা নয়, অনেকাংশে দুর্বলতা হিসেবেও গৃহীত হচ্ছে।
প্যাক্স আমেরিকানা ও বিশ্ব রাজনৈতিক চালাকি
বেইজিংয়ে যাত্রা করছে এমন এক প্যাক্স আমেরিকানা, যার কাঁধে কৌশলগত ক্লান্তির ভার স্পষ্ট। ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া কিংবা সাম্প্রতিক ইরান-সংকটে সেই সংঘাত হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে একটি প্রবণতা—যুক্তরাষ্ট্র আঘাত সৃষ্টি করতে পারে বটে, কিন্তু স্থায়ী সমাধান খুঁজতে প্রায়ই ব্যর্থ হয়েছে। প্যাক্স আমেরিকানা পতনের পরিপ্রেক্ষিতে চীন ঠিক সেই সময়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ নিয়েছে। ইরান থেকে তেল কেনার সাথে সাথে বেইজিং আঘাতের মুখোমুখি হয়েছে না। তাইহরানের সঙ্গে সম্পর্ক �