পাহাড়ের বুক চিরে নামা অপরূপ পরিকুণ্ড
প হ ড় র ব ক চ – মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত অনেকের জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে বলে বলা যায়। তবে সেই অঞ্চলের কিছুটা দূরে অবস্থিত আরেক সৌন্দর্যের ঝরনা পরিকুণ্ড জলপ্রপাত এখনও অনেকের কাছে অপরিচিত। এই স্থানটি মাধবকুণ্ডের পাশে অবস্থিত এবং সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে এটি পর্যটনের নতুন মাতৃকার্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বড়লেখা উপজেলার কাঠালিয়া ইউনিয়নের পাথারিয়া পাহাড়ের বুক চিরে প্রায় ১৫০ ফুট উঁচু থেকে আছড়ে পড়ছে পরিকুণ্ডের জলধারা। মাধবকুণ্ডের তুলনায় এই স্থান কিছুটা শান্ত ও নির্জন। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝরনাটির ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ফলে এটি পর্যটকদের নজরে আসছে।
বিশেষ করে বর্ষাকালে পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসা সাদা জলধারা সৌন্দর্যের এক নতুন পরিচয় তৈরি করে। মাধবকুণ্ডের শিবমন্দিরের বিপরীত দিকে পাহাড়ি ছড়া ও পাথুরে পথ ধরে কিছুটা পথ হেঁটে গেলেই এই ঝরনা দেখা যায়। শিবমন্দিরের পাশের পাহাড়ের ছায়ায় অবস্থিত স্থানটি অনুসন্ধানকারীদের আকর্ষণ করছে আবেগ সৃষ্টি করে।
পাথুরে ঝিরিপথ দিয়ে এখানে আসার অভিজ্ঞতাও দারুণ রোমাঞ্চকর। সিলেট থেকে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী শ্যামল কান্তি বৈদ্য বলেন, “মাধবকুণ্ডে অনেকবার এসেছি, কিন্তু পরিকুণ্ডের শান্ত পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সত্যিই অনন্য।”
পর্যটক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে স্থানীয় ব্যবসার ও পরিবহন খাতে প্রসার ঘটছে। তবে পরিবেশ নিয়ে স্থানীয়দের কিছু আশংকা তৈরি হয়েছে। পর্যটকদের ফেলে আসা প্লাস্টিক বর্জ্য ও খাবারের প্যাকেট এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। এখন পরিকল্পিত উদ্যোগ ও পরিবেশ রক্ষার জন্য সচেতনতা বাড়ানো গেলে পরিকুণ্ড জলপ্রপাত দেশের একটি