পলাশের বাজারে ক্রেতাদের নজর লাল লিচুতে
পল শ র ব জ র ক – পল শ র ব জ র এ বিশেষ করে শুরুতে ক্রেতাদের মনোনিবেশ লাল লিচুতে। ক্রমে এ ফল নানা বাজারে উপস্থিত হয়েছে যার দাম প্রতি ১০০ টি ক্ষেত্রে ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত চলছে। লাল লিচু সাধারণত নিরাময় ও পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ক্ষেত্রে উপযোগী হওয়ায় ক্রেতাদের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে পুরুষ ও মহিলারা এ ফল আকর্ষণ করছে এবং প্রতিযোগিতা করছে স্থানীয় বাজারে পরিপক্ব লিচু সরবরাহে।
লাল লিচু বাজারে চাহিদার প্রতিযোগিতা বাড়ছে
বাজারের চাহিদা ও বিক্রি প্রক্রিয়া
পলাশ উপজেলায় লিচু পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ২২টি বাজারে। ঘোড়াশাল সাদ্দাম বাজার সবচেয়ে বেশি ক্রয় হচ্ছে যার কারণে স্থানীয় চাষীদের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রেতাদের মধ্যে লাল লিচু বিশেষ ভাবে চাওয়া হচ্ছে কারণ এ ফল রসালো হওয়ায় কিনতে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। পরিপক্ব লিচু সরবরাহে সম্পূর্ণ পরিপূর্ণ হওয়া পর্যন্ত বাজারে চাহিদা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
প্রতিযোগিতা ও বাজারের চাহিদা
পলাশের বাজারে লাল লিচু বিক্রি হতে দেখা গেছে আকারে ভিন্ন ভিন্ন লিচুর দাম ভিন্ন ভিন্ন রেটে চলছে। স্থানীয় এক আড়তদার বলেন, মৌসুম পুরোপুরি শুরু না হওয়ায় সরবরাহ কিছুটা কম। তবে শুরুর দিকে দাম বেশি থাকলেও কিছুদিনের মধ্যে দাম কমে আসবে। পরিপক্বতা হলে দাম সম্ভবত আরও বৃদ্ধি পেতে পারে কারণ ক্রেতাদের জন্য বিশেষ ভাবে চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।
“বাসায় বাচ্চাদের লিচুর চাহিদা রয়েছে। তাই পুরোপুরি পরিপক্ব না হলেও কিনতে হচ্ছে। একটু টক হলেও শিশুরা লিচু খুব পছন্দ করে।”
ফজল উদ্দিন নামের এক ক্রেতা বলেন, দুর্বল মানের লিচু এখন বাজারে আসতে শুরু করেছে। বর্ষার আগমনের পর লিচু বড় হয়ে ওঠে এবং রং সুন্দর হয়। রসেও ভরে যায় বলে তিনি দাবি করেন। ক্রেতারা এ ফল পছন্দ করছে কারণ এ প্রতিকূল সময়ে আসছে কিছু প্রতিষ্ঠান ক্ষেত্রে রসালো হওয়ায় নিরাময় বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এ প্রক্রিয়া প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
পলাশ উপজেলার ফলভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত জিনারদী ইউনিয়নই লিচুর সবচেয়ে বড় উৎস। স্থানীয় কয়েকজন চাষি জানান, সময়মতো বৃষ্টি হলে এ বছর লিচু বেশি ফলন হতো। তবে বর্তমানে সময়মতো পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় লিচুতে পুরোপুরি পরিপক্বতা আসেনি বলে স্বীকার করেছেন তারা। প্রস্তুত ফল না হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কিছুটা কম।
এখন পল শ র ব জ র এ লাল লিচু অন্য এলাকার চেয়ে মান ভালো, তাই দামও একটু বেশি। পার্শ্ববর্তী কাপাসিয়া ও কালীগ