পদ্মায় মিলল ৫ খুনের আসামি ফোরকানের মরদেহ
পদ ম য় ম লল ৫ খ – পদ ম য় ম লল ৫ খ – গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫ বছর), উম্মে হাবিবা (৮ বছর), ফারিয়া (২ বছর), এবং শ্যালক রসুল মিয়াকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লার মরদেহটি শনিবার (১৬ মে) দুপুরে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনা নিশ্চিত করে দেয় যে ফোরকান মোল্লাকে আসামি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল এবং তিনি পলাতক ছিলেন।
বিস্তারিত তথ্য
অনুসন্ধান কাজ প্রারম্ভের পর থেকে ফোরকান মোল্লার অবস্থান নির্ধারণের জন্য স্থানীয়দের সহযোগিতা পাওয়া যায়। গাজীপুর পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন বলেন, পদ্মা সেতুর প্রায় চার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত লৌহজং উপজেলার পদ্মা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা প্রতিবেদন দেন। নৌ পুলিশ তার পর মরদেহটি উদ্ধার করে এবং প্রথম তদন্নী প্রক্রিয়া শুরু করে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে যাতে তার চিহ্ন নির্ধারণ করা সম্ভব।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আসামির গতিবিধি
গাজীপুর পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন জানান, পদ্মা সেতুর সিসিটিভি ফুটেজে এক ব্যক্তিকে নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখা গেছে। পুলিশ ও তার পরিবার ওই ব্যক্তিকে ফোরকান মোল্লা বলে ধারণা করেছিল। সেতু থেকে একটি মুঠোফোন উদ্ধার করে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজের সাহায্যে তথ্য সংগ্রহ করে। এই ঘটনার পর তিনি পুলিশের চেষ্টা থেকে পলাতক হন।
ফোরকান মোল্লার মরদেহ উদ্ধারের পর তদন্নী কাজ বেশ প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল পরীক্ষা করে এবং বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। এই ক্ষেত্রে সিসিটিভি ফুটেজ এবং মুঠোফোনের বিশ্লেষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফোরকানের জায়গায় সিসিটিভি ফুটেজে তার গতিবিধি স্পষ্ট করে দেখা যায়। পুলিশ ওই ফুটেজ গুলি সমন্বয় করে এবং ফোরকানের কার্যক্রম নিশ্চিত করে।
মরদেহটি উদ্ধারের পর তা মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত এবং ডিএনএ পরীক্ষার �