নির্বাচন ব্যয়ের হিসাব দেয়নি ২৩ দল ও ২১ প্রার্থী, ইসি কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি
ব্যয় হিসাব না জমা দিলে কারাদন এবং জরিমানা হবে
ন র ব চন ব যয় র – নির্বাচন ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি ২৩টি রাজনৈতিক দল এবং ২১ জন প্রার্থী। ইসি দ্বারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজেপি ও জোটে থাকা জাতীয় এনসিপিকে শাস্তি ঘোষণার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই আদেশ অনুযায়ী ব্যয় হিসাব জমা না দিলে সর্বনিম্ন ২ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদন এবং জরিমানা করা হবে।
ইসি কমিশন প্রার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে। নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের প্রেক্ষিতে কমিশন আগামী ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যয় হিসাব গ্রহণের কথা ঘোষণা করেছে। কিন্তু অংশগ্রহণকারী দলগুলো আরও দুটি সপ্তাহ না দিয়ে অবশ্যই সম্পূর্ণ হিসাব জমা দিতে হবে।
অনুপলব্ধ হিসাবের প্রভাব
ব্যয় হিসাব প্রস্তুত না করে নির্বাচন প্রক্রিয়া গুরুতর প্রতিক্রিয়া পেতে পারে। ইসির বিশ্লেষণে এ বিষয়ে ব্যয় হিসাব দেয়নি ২৩টি দল এবং ২১ জন প্রার্থী এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলো অপরাধী বিবেচিত হবে। তাদের মধ্যে এ বিষয়ে তদন্ত চালু হবার পর আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
অনুপলব্ধ হিসাবের কারণে নির্বাচন কমিশনের দ্বারা এ ক্ষেত্রে জেল বা জরিমানা প্রাপ্ত হতে পারে। প্রতিটি প্রার্থী এবং দল জনগণের মুখে বিশ্বাস ক্ষুণ্ন করে বসবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থায়ী অস্থিতিশীলতা ছড়াতে পারে।
গ্রাহ্য হিসাবের তালিকা
সরাসরি প্রার্থীদের তালিকায় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মির্জা মোঃ শওকত আকবর (রওশন), সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদের হাবিব মোঃ ফারুক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির মো . আজিজুর রহমান সরকার, গণঅধিকার পরিষদের মো . নুরে এরশাদ সিদ্দিকী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের নবাব মো . শামসুল হোদা এবং বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো . আব্দুল হালিম সহ স্বতন্ত্র প্রার্থী মো . মোয়াজ্জেম হোসেন এবং মো . আইনুর রহমান (জুয়েল) মিয়া রয়েছেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে মোহাম্মদ মহিব নামে আরও কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর ফলে নির্বাচন ব্যয়ের হিসাব প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে পারে না। তবে ইসি তদন্ত চালু করে সম্পূর্ণ হিসাব পেতে পারে।
নির্বাচন ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি ২৩ দল এবং ২১ জন প্রার্থী। আরপিও-১৯৭২ অনুযায়ী হিসাব প্রদান করা হলে কারাদন এবং জরিমানা ঘটবে।