News

নিখোঁজের আড়ালে ছিল জোড়া খুন | সংবাদ

নিখোঁজের আড়ালে ছিল জোড়া খুন | সংবাদ মা ও ছেলের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে ন খ জ র আড় ল ছ - নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে দুই বছর আগে নিখোঁজ হওয়া সৎ মা কমলা খাতুন

Desk News
Published May 26, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

নিখোঁজের আড়ালে ছিল জোড়া খুন | সংবাদ

মা ও ছেলের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে

ন খ জ র আড় ল ছ – নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে দুই বছর আগে নিখোঁজ হওয়া সৎ মা কমলা খাতুন এবং তার শিশু সন্তান নোমান নিখোঁজের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ। ঘটনার খনন করা হয় ২৪ মে সকালে, যখন তাদের দেহাবশেষ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়।

অপরাধ তদন্ত বিভাগ ঘটনার শুরু ২০১২ সালে খুঁজে পায়। সেই সময় আবুল কালাম আজাদ ও কমলা খাতুনের বিয়ে হয়, যার পর তাদের সংসারে নোমান নামে একটি পুত্র জন্মগ্রহণ করে। আবুল কালাম আজাদের মৃত্যুর পর কমলা খাতুন সৎ সন্তানদের সঙ্গে একই বাড়িতে বসবাস করছিলেন।

মৃত্যুর আগে কালাম আজাদ তার দ্বিতীয় স্ত্রী কমলা ও শিশু নোমানের নামে বসতবাড়িসহ সংলগ্ন প্রায় ৩০ শতাংশ জমি লিখে দেন। এই সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছিল প্রথম পক্ষের সন্তানদের সঙ্গে। এর ফলে রাতে খাবারের পানির সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অচেতন করে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

৯ মার্চ থেকে আমাদের সৎ মা নিখোঁজ রয়েছেন এবং মোবাইল ফোনেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

রহিমা বেগম দেখেন না পেরে সৎ ভাইদের কথায় আশ্বস্ত হন না। তিনি ১৪ মার্চ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ একটি পিটিশন দায়ের করেন। আদালত প্রথমে জেলা ডিবি এবং পরে সিআইডি নোয়াখালীকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। তদন্তের সূত্রে কমলা খাতুনের মোবাইল ফোন সবুজবাগ এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

গত ২১ মে রাতে কোতোয়ালী থানার ভাটিকাশর থেকে রাজন রাজুকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন সন্ধ্যায় সোনাইমুড়ী জিরো পয়েন্ট থেকে জিয়াউর রহমান সাগর ও তার সহযোগী আশিকুর রহমান টিপুকে গ্রেফতার করে সিআইডি। তিন দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা আদালতের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করেন।

নোয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য দেহাবশেষ পাঠানো হয়। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান ঘটনার তথ্য সুস্পষ্ট করে জানান, নমুনা ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Leave a Comment