নিউজিল্যান্ডের সহযোগিতা চায় বিজিএমইএ
ন উজ ল য ন ড র – বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও শিল্প উন্নয়নে কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতা প্রদানে নিউজিল্যান্ড আগ্রহী হয়েছে। কিন্তু এজন্য বাংলাদেশের প্রাথমিক রূপরেখা স্থাপনের দরকার বলে জানিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেভিড পাইন। তিনি বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে উত্তরার বিজিএমইএ দপ্তরে সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের সঙ্গে আয়োজিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ কথা উল্লেখ করেন।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়। বর্তমানে নিউজিল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। কিন্তু এই ব্যবধান কমিয়ে বাণিজ্য উন্নতি করার সম্ভাবনা বাড়াতে উভয় পক্ষ যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন।
প্রস্তাবের স্বাগত জানানো হয়
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান হাইকমিশনারের সহযোগিতার প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দেশটি গৃহীত অর্থনৈতিক প্রস্তাব দ্বারা উল্লেখযোগ্য প্রকৃতি অর্জন করছে। তবে এই লক্ষ্য অর্জনে বিশ্ববাজারে নতুন সম্ভাবনা বিবেচনার জন্য নিউজিল্যান্ডের প্রযুক্তি সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।
সম্ভাবনাময় খাত বিস্তার
বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি অনুমান করেন যে পোশাক খাত ছাড়াও টেক্সটাইল ফুটওয়্যার, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং ফার্নিচার খাতগুলো বিস্তারের সম্ভাবনা রয়েছে। নিউজিল্যান্ডের প্রযুক্তি সহযোগিতা বিজিএমইএ কর্তৃক নতুন ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হবে বলে ধারণা করা হয়।
বাংলাদেশ থেকে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল নিউজিল্যান্ডে প্রেরণ করা হলে হাইকমিশন সব ধরনের সহযোগিতা করবে।
বাংলাদেশের বিশ্ববাজারে স্থান কমানোর লক্ষ্যে বিজিএমইএ আন্তর্জাতিক এক্সপো ও ট্রেড ফেয়ারে পার্টনারশিপ বাড়ানোর উপায় খুঁজছে। হাইকমিশনার ডে