দোহার-নবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে
দ হ র নব বগঞ জ আওয় – দোহার নবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগ কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং এই গ্রেপ্তার ঘটনার প্রতিক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার একটি বৃহৎ অভিযানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের মোট ১২ জন নেতা ও কর্মী আটক করা হয়েছে। এই অভিযান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত নাশকতা ও সহিংসতার ঘটনার তদন্তে পরিচালিত হয়েছে। এই অভিযানের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধার ও পলাতক আসামিদের অনুসন্ধান করা।
দোহার নবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগ কর্মীদের তালিকা
দোহার উপজেলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের মধ্যে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য আবদুল কুদ্দুস (৫৭), মুকসুদপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রিপন ভূঁইয়া (৫০), বিলাসপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কর্মী মো. খলিল শিকদার (৩৬), উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক পাঠাগারবিষয়ক সম্পাদক মো. সারোয়ার আলম হানিফ (৩৫), বিলাসপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবদুল খালেক মোল্লা (৫০), বিলাসপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মো. বিশা মাতবর (৬০) ও উপজেলা যুবলীগের কর্মী মো. বায়েজিদ হোসেন বাদল চৌকিদার (৫৯) রয়েছেন। পুলিশ জানায় এই গ্রেপ্তার করা হয়েছে সংঘটিত ঘটনার জন্য দায়ী নেতাকর্মীদের চিহ্নিত করার লক্ষ্যে।
নবাবগঞ্জ উপজেলায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের তালিকা
নবাবগঞ্জ উপজেলায় পাঁচ জন আওয়ামী লীগ কর্মী আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কৈলাইল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি নজির চৌধুরী (৪৫), আগলা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এস এম আক্তার হোসেন (৫৫), বক্সনগর ইউনিয়ন তাঁতী লীগের আহ্বায়ক মো. নুরুল ইসলাম (৬০), বান্দুরা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর খোকন (৪০) ও কৈলাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য লিটন মাদবর (৪৯) রয়েছেন। পুলিশ উপজেলায় অভিযানের সময় আসামিদের মধ্যে দোহার নবাবগঞ্জের কর্মীদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেছে।
অভিযানের প্রক্রিয়া ও বিশ্লেষণ
অভিযান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত ঘটনার প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী চালিয়ে যাওয়া হয়েছে। উপজেলা গুলিতে চালিত অভিযানে পুলিশ অবিলম্বে আসামি খুঁজে বার করার জন্য একটি বিশেষ পরিকল্পনা অনুসরণ করেছে। আওয়ামী লীগের কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে