দেশের ভেতরেই ভূমিকম্পের উৎস কেন বৃদ্ধি পাচ্ছে?
দ শ র ভ তর ই ভ – বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হওয়া বৃদ্ধির সাথে সাথে তা বিশেষজ্ঞদের মতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত বহন করে। মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ময়মনসিংহের ভালুকায় অনুভূত হওয়া রিখটার স্কেলে ৩.৪ মাত্রার ভূমিকম্প পরিচালক রুবাইয়াৎ কবীরের মতে এটি স্বল্পমাত্রার ঘটনা। তবে গত বছর থেকে দেশের অভ্যন্তরে ভূমিকম্পের উৎপত্তি বৃদ্ধির প্রবণতা তুলে ধরছে যে দেশের ভেতরেই ভূমিকম্পের উৎস হতে পারে বলে আশঙ্কা জাগছে।
টেকটোনিক প্লেট কীভাবে দেশের ভেতরে ভূমিকম্প উৎপন্ন করছে?
বাংলাদেশ উত্তরে ইউরেশিয়ান প্লেট, পশ্চিম ও দক্ষিণে ইন্ডিয়ান প্লেট এবং পূর্বে বার্মা মাইক্রোপ্লেটের মধ্যে অবস্থিত। ইন্ডিয়ান প্লেট উত্তর-পূর্ব দিকে প্রতি বছর প্রায় ৫ সেন্টিমিটার হারে অগ্রসর হচ্ছে, যা ভূমিকম্পের শক্তি সঞ্চিত করছে। এই চাপ ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে দেশের ভেতরে ভূমিকম্পের উৎস হতে পারে বলে আশঙ্কা জাগছে। মধুপুর চ্যুতির সক্রিয়তা কারণে ভূগর্ভে সঞ্চিত শক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে নরসিংদীতে উৎপত্তি হওয়া সাম্প্রতিক বিপুল ক্ষতির একটি মূল কারণ হিসেবে গণ্য হয়েছে।
ভূমিকম্পের এই ধারার কারণ কী?
টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষ এবং সাবডাকশন প্রক্রিয়ায় ভূগর্ভে শক্তি সঞ্চিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে গত বছর থেকে দেশের ভেতরে ভূমিকম্পের সংখ্যা তুলনা করলে দেখা যাচ্ছে যে এটি একটি বড় ভূমিকম্পের পূর্ব সংকেত হতে পারে। গত ১৩ মাসে দেশে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে প্রায় ৩২টি, যা ২০১৬ সালের পর সবচেয়ে বেশি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কিছু বিশেষজ্ঞ সংক্ষিপ্ত প্রকৃতি বিশ্লেষণের কারণে এই ধারার শনাক্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন।
ঘটনার তুলনা ও গবেষণার প্রকৃতি
২০১৭ সালে দেশে ২৮টি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হলেও তা ২০২৪ সালে দাঁড়িয়েছে ৫৪টি। এর মধ্যে নরসিংদীতে উৎপত্তি হওয়া সাম্প্রতিক ভূমিকম্পটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ছিল কারণ তার উৎপত্তিস্থল ঢাকার অত্যন্ত কাছে। গবেষকরা বলছেন যে মধুপুর চ্যুতি এখনও সক্রিয় এবং ভবিষ্যতে বড় ভূমিকম্পের উৎস হতে পারে। এই চ্যুতির সাথে সাম্প্রতিক অনুভূত হওয়া ভূমিকম্প পরিচিত হয়েছে যে এটি একটি স্থায়ী প্রবণতা।
বাংলাদেশের ভেতরে ভূমিকম্পের উৎপত্তি ঘটনার প্রবণতা এখনও বৃদ্ধির দিকে যাচ্ছে। ঢাকার কাছাকাছি অঞ্চলে উৎপত্তি হওয়া ভূমিকম্প রেকর্ড অনুযায়�