News

থামছে না সুন্দরবনের বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য

থামছে না সুন্দরবনের বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য বনজীবীদের জীবনে সাম্ভাল হয়নি চাপ থ মছ ন স ন দরবন - সুন্দরবনে বনদস্যুদের অপরিচিত দৌরাত্ম্য এখনও প্রায়শই চোখে পড়ছে।

Desk News
Published May 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

থামছে না সুন্দরবনের বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য

বনজীবীদের জীবনে সাম্ভাল হয়নি চাপ

থ মছ ন স ন দরবন – সুন্দরবনে বনদস্যুদের অপরিচিত দৌরাত্ম্য এখনও প্রায়শই চোখে পড়ছে। পশ্চিম সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত আরও আট বনজীবীকে অপহরণের খবর পাওয়া গেছে। তাদের হাতে অস্ত্রের সূচনা করে মুক্তিপণ দাবি করছে বলে অভিযোগ প্রাপ্ত হয়েছে।

অপহৃত বনজীবীদের তথ্য

অপহৃতদের নাম হলো- মুন্সিগঞ্জের নজরুল তরফদার (৪৫), আব্দুর রহমান (৩৫), ছোট ভেটখালীর আব্দুল হামিদ মোড়ল (৫০), ভড়ভড়িয়ার আব্দুল আলিম (৪০), হাবিবুর রহমান (৪৮), আনোয়ারুল ইসলাম (৪২) এবং খুলনার কয়রা এলাকায় আব্দুস সাত্তার ও শাহিনুর রহমান। তাদের সহযোগী এবং মহাজনদের কাছে জানা গেছে যে অপহরণ ঘটেছে চুনকুড়ি নদীর সুবদের খাল, গুবদের খাল ও ধান্যখালীর চর এলাকায়।

মুক্তিপণ দাবি ও পরিচালনা

অপহৃত বনজীবীদের মুক্ত করতে দস্যুদের পক্ষে ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। তারা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর চাপ বাড়িয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এর আগেও একই রকম প্রণালীতে অপহৃতদের মুক্ত করতে টাকা প্রদান করা হয়েছিল। মধু আহরণ মৌসুমের আগে অনেক বনজীবী অগ্রিম চাঁদা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।

পূর্ববর্তী ঘটনার প্রতিক্রিয়া

গত ৪ ও ৫ মে দুটি বাহিনীর মাধ্যমে ২০ জন জেলে ও মৌয়ালকে অপহরণ করা হয়েছিল। তারা প্রায় ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে আসেন। স্থানীয় সমাজের দাবি অনুযায়ী সুন্দরবনে যৌথ বাহিনীর অভিযান চললেও দস্যুদের অবিচ্ছিন্ন দৌরাত্ম্য দেখা যাচ্ছে।

অফিসিয়ালদের প্রতিক্রিয়া

“অপহরণের বিষয়ে আমরা এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাইনি। খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।” – কদমতলা ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা মনিরুল করিম

“এখন পর্যন্ত কোনো পরিবার থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” – শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খালেদুর রহমান

Leave a Comment