তীব্র গরমে ধান কাটতে গিয়ে প্রাণহানি
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে যুবকের মৃত্যু
ত ব র গরম ধ ন ক – তীব্র গরম ধান কাটার সময় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১ জুন) দুপুর প্রায় ১২টার দিকে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাররামরামপুর ইউনিয়নের উত্তর ভাতখাওয়া গ্রামে আশাদুল হক (৩৫) নামে এক যুবক অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনার পর তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু মৃত্যুর পূর্বে তার অবস্থা ক্রমশ খারাপ হয়ে আসে। তার পরিবার বলেন, যুবকটি এই গ্রামের মহল মণ্ডলের ছেলে ছিল, যিনি সকালে বাড়ির পাশের নিজের জমিতে কাজ করছিলেন। তীব্র গরম ধান কাটার সময় তার শরীর স্থিতিশীল থাকে নি, যার ফলে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছিল।
অসুস্থ অবস্থার বিস্তার
তীব্র গরম ধান কাটার সময় জমিতে বিক্ষিপ্ত হয়ে আশাদুল হক মাটিতে পড়েন। তার কৃষকদের অবস্থা দেখে লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে, কিন্তু পার্শ্ববর্তী বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। আশাদুল হক নামের ব্যক্তি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যুর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান বকশীগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রেজাউল ইসলাম। তিনি বলেন, হিটস্ট্রোক এর আবহাওয়ায় কৃষকদের কাজে অসুবিধা হয় এবং তীব্র গরম ধান কাটার সময় সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি। ঘটনার পর তার চিকিৎসার জন্য পরিবার তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু আরও দ্রুত প্রাণহানির সম্ভাবনা রয়েছে।
তীব্র গরম ধান কাটার সময় স্থানীয় কৃষকদের সাধারণত তাপমাত্রা কম হওয়া পর্যন্ত কাজে বিশেষ করে বিকাল এবং রাতে কাজ করা হয়। যার ফলে শরীরের তাপ সামনে প্রতিরোধ করতে পারে না এবং তীব্র গরম ধান কাটার সময় হিটস্ট্রোক এবং অন্যান্য তীব্র রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তাই আবহাওয়া বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি হয়। কৃষকদের প্রাণহানির ঘটনা প্রতি দিন বৃদ্ধি পেয়েছে, যেটি হাসপাতাল সংক্রান্ত প্রতিবেদনে স্পষ্ট ভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন জানান, পাররামরামপুর ইউনিয়নে তীব্র গরম ধান কাটার সময় হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু ঘটেছে। তিনি বলেন, তীব্র গরম ধান কাটার সময় কৃষকদের �