ডেঙ্গু: সরকার মাঠে নামছে সংকট নিয়ন্ত্রণের জন্য সাঁড়াশি অভিযান
ড ঙ গ – বর্ষা আগমনের সাথে সাথে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা উঠেছে। এ সময় বাড়ি বাড়ি মশার বংশবৃদ্ধি হচ্ছে যেন মানুষের কান্নার রোল আটকে রাখা হয়। পরিত্যক্ত বাথরুম ও ছাদে জমে থাকা পানি থেকে মশার লার্ভা নিরাময়ের জন্য সরকার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
এবারের কার্যক্রমে সব ধরনের স্থানে সমান পরিমাণে রাসায়নিক স্প্রে চালিয়ে মশার বংশ বৃদ্ধি রোধ করা হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সংকট নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে বিভিন্ন সংস্থার সাথে আলোচনা শেষে মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন প্রকাশ করেন যে পরিত্যক্ত বাথরুমের কমোড ও গ্যারেজে জমে থাকা পানি ডেঙ্গু প্রজননের প্রধান কারণ।
তিনি বলেন, “অনেক বাড়িতে পরিত্যক্ত পানি জমে থাকে যা মশার স্থান হিসেবে কাজ করে। এজন্য সমান স্প্রে কার্যক্রম চালিয়ে জরিমানা করা হবে সন্দেহভাজন বাড়িগুলোতে।”
ডেঙ্গু বিপর্যয় পরিহালনে বেসরকারি হাসপাতালগুলো বিশাল হাত বাড়িয়েছে। ধনী-দরিদ্র বর্গের প্রতিটি রোগী জন্য মোট সিটের ১০ শতাংশ ব্যবহার করে চিকিৎসা ছাড় দেওয়া হয়েছে। সাধারণ বেড ও ডাক্তার চার্জ ছাড়া এই ছাড়ে প্রাপ্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সবার জন্য সুবিধা পাওয়া হবে।
তার পাশাপাশি ল্যাব পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ অভিযানের মাধ্যমে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডেঙ্গু কার্যক্রম আটকে রাখা সম্ভব হবে বলে মন্ত্রী জানান।
বিশ্বে ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হলেও বাংলাদেশে এখন এটি প্রয়োগ করা হচ্ছে না। নিরাপত্তার বিষয়টি শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে জনগণের ওপর ঝুঁকি নিতে চায় না সরকার।
মন্ত্রী বলেন, “আমরা এলডিসি কান্ট্রি হিসেবে হঠাৎ করে এই ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করতে পারি না। একটা দুর্ঘটনা ঘটলে সব দায় আমাদের ওপর আসবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।”
আন্তর্জাতিক মহলে এ ছাড় কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিরাপদ প্রমাণিত হলেই ভবিষ্যতে ভ্যাকসিনের বিষয়ে আলোচনা চালু হবে। ডেঙ্গু মোকাবিলায় গবেষক থেকে শুরু করে গণমাধ্যম পর্যন্ত সবাই এগিয়ে আসছেন।