রংপুরে চট্টগ্রামের জলজটের দৃশ্য আবারও দেখা যাচ্ছে
চট টগ র ম র জলজট – এখন রংপুর নগরীতে আসা হালকা বৃষ্টির পরিমাণ চট্টগ্রামের তুলনায় বেশি হওয়ায় এলাকাগুলো সম্পূর্ণ জলে ডুবে গেছে। নগরবাসীদের দুর্দশা অপরিসংখ্য হাজার পরিবারকে আ�ঁটি থেকে বের করে দিয়েছে। পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে রেকর্ড করা হয়েছে প্রায় এক হাজার ছয় শত মিলিমিটার বৃষ্টিপাত। শুক্রবার (২২ মে) দেড় বাজার থেকে অবিরাম বৃষ্টি শুরু হয়েছিল এবং সকাল নয়টা পর্যন্ত এটি অব্যাহত ছিল।
জলে ডুবে গেছে নগরীর বিভিন্ন এলাকা
অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে জল কেটে না বেড়ায় আঁটি থেকে কোমড় পানিতে তলিয়ে গেছে। লালবাগ, ধাপ, নিউ জুম্মাপাড়া এবং অন্যান্য ৪০টি পাড়া-মহল্লার বাড়িগুলো পানিতে বিপন্ন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসও দুই ফুট পানিতে ঢেকে গেছে। সড়কগুলো জলে ঢেকে প্রাইভেট কার, ট্রাক এবং অটোরিকশা ভেসে চলছে।
বাসাবাসি দূর্ভোগে পড়েছেন
অবস্থা আরও খারাপ হওয়ার সাথে সাথে বাড়ি থেকে পানি ঢুকে আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। মাষ্টারপাড়া এলাকার বৃদ্ধ আফছার আলী কিছুটা কম বৃষ্টি হলেও কারণ চট্টগ্রামের জলজটের চিত্র রংপুরে আবারও বিপ্লব ঘটাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘গত মাসের শুরুতে এত বৃষ্টি আগে দেখিনি। ড্রেনগুলো সামনে দিয়ে চলছে না। সিটি করপোরেশন কোনো পদক্ষেপ নেয় না।’
রংপুর সিটি করপোরেশনের পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভরাট হয়ে বন্ধ হয়ে গেছে। শ্যামাসুন্দরী খালে পানি ফেলার ব্যবস্থা নেই। সব মিলিয়ে এটি অন্তত ১৬৬ মিলিমিটার বৃষ্টি।
স্থানীয় দোকানদার মমতাজ বেগম বলেন, তাঁর দোকানের ভেতরে পানি ঢুকে হাজার হাজার টাকার মালামাল ভেসে গেছে। পশ্চিম এবং দক্ষিণ বাবুখাঁ এবং গনেশপুর এলাকায় প্রতিটি বাড়ির ভেতরে পানি ঢুকে গেছে। সারাদিন যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে।
বিষয়টি নিয়ে রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুন্নবী ডনের বক্তব্য জানতে বারবার ফোন করেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। বর্ষণের কারণে সমস্যা নগরবাসীদের চরম দুর্ভোগে ফেলে দিয়েছে।