গুম রোধ ও মানবাধিকার সুরক্ষায় প্রস্তাবিত আইন কার্যকর হতে হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
গ ম র ধ ও ম নব – অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান যে, গুম রোধ ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত আইনগুলো কেবল কাগজে কলমে থাকা বর্জন করে বাস্তবে কার্যকর হতে হবে। তিনি গতকাল রবিবার (১৭ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত একটি সহযোগী সভায় এ কথা বলেন।
আইনের কার্যকারিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা
অ্যাটর্নি জেনারেল আইনের কার্যকারিতা বিষয়ে দেশের প্রচলিত প্রবণতার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দেশে প্রায় সব আইনে একটি ‘ওভাররাইডিং ক্লজ’ যুক্ত করার প্রবণতা দেখা যায়, যা কোন আইন অন্য আইনের ওপর প্রাধান্য পাওয়া দেয়। আমরা এমন কিছু লিখতে চাই যা বাস্তবে প্রকৃতভাবে কার্যকর হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোনো কর্তৃপক্ষকে কেবল নিরঙ্কুশ ক্ষমতা দেওয়ার চেয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য বজায় রাখা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”
সভায় আরও বক্তব্য দেন সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং গুম হওয়া নেতা এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদী, গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের প্ল্যাটফর্ম ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি (এমপি) এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন লিলার। সভার বক্তারা বলেন যে, গুম রোধের জন্য একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও কার্যকর আইনি কাঠামো প্রয়োজন।
বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে গুম থেকে সব ব্যক্তিকে সুরক্ষার আন্তর্জাতিক কনভেনশন স্বাক্ষর করেছে, যা প্রস্তাবিত আইনের প্রথম অংশে প্রতিফলিত হয়েছে। আইন প্রণয়নে ক্ষমতার সুষম বণ্টন নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি মানবাধিকার, মানবিক মর্যাদা এবং ব্যক্তিস্বাধ