গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরও সাত জনের মৃত্যু
গত ২৪ ঘণ ট য় স র – গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরও সাত জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জানায় যে এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর চাপ পড়ছে। সন্দেহজনক হাম বা তার উপসর্গে মৃত্যুর ঘটনার সংখ্যা প্রায় ছয় জন। এই মৃত্যুর পরিমাণ সম্প্রতি চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে এবং সর্বক্ষণ রোগ প্রতিরোধ করার জন্য চার জন প্রতি ঘণ্টায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা উদ্যোগ নিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং শরীরের সামান্য রেশ প্রকাশ পেলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী রোগের প্রায় প্রতি দিনের পরিস্থিতি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দুই মাসে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৩৯ জনের। এই সংখ্যার মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭০ জন এবং ৩৬৯ জন সন্দেহজনক হাম বা তার উপসর্গে মৃত্যুর ঘটনা রয়েছে। তবে এই সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং রোগের সংক্রমণ দ্রুত হচ্ছে। গত দুই মাসে মৃত্যুর সংখ্যা যাচাই করা হচ্ছে এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সম্পূর্ণ মান বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা আছে। নতুন করে প্রতি দিনের মৃত্যু হাম ও হামের উপসর্গে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা প্রতিটি গ্রামের স্বাস্থ্য পরিসেবার প্রতিক্রিয়া আরও গুরুতর হতে চলছে।
গত দুই মাসে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর ঘটনার সংখ্যা প্রতিটি ক্ষেত্রে সামান্য ভিন্নতা দেখা যায়। এই সংখ্যার মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে রোগের আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কিছু জায়গায় সন্দেহজনক মৃত্যু ঘটনার হার বেশি হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংখ্যা কম করতে চার জন প্রতি ঘণ্টায় টিকাদানের কর্মসূচি এগিয়ে রয়েছে। এছাড়াও নতুন করে প্রতিটি প্রান্তে প্রতি দিন পরিদর্শন করা হচ্ছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর চার জন প্রতি ঘণ্টায় বৃদ্ধি হচ্ছে
গত দুই মাসে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৩৯ জন। তবে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ জানায় যে রোগের প্রকৃতি প্রতিটি পরিস্থিতিতে সামান্য ভিন্নতা দেখা যায়। বৃহস্পতিবার সংবাদ অনুযায়ী রোগের মৃত্যুর সংখ্যা কম করার জন্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া আগ্রহ প্রকাশ করছে। এই পরিস্থিতিতে সারাদেশে রোগ প্রতিরোধের কর্মসূচি এগিয়ে রয়েছে এবং নতুন করে প্রতি দিন টিকাদান করা হচ্ছে। গত দুই মাসে মৃত্যুর হার এগিয়ে রয়েছে এবং কিছু জায়গায় স্বাস্থ্য পরিদর্শন কর্মসূচি প্রতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, গত দুই মাসে মৃত্যুর হার বৃদ্ধির প্রধান কারণ হল টিকাদানের কর্মসূচির অসম্পূর্ণ সম্প্রসারণ। বিশেষ ভাবে জুনের �