কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা সানোয়ার গ্রেপ্তার
পুলিশের অভিযান এবং গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া
ক ষ ট য় য় আওয় ম – কুষ্টিয়া জেলার আওয়ামী লীগ নেতা সানোয়ার হোসেন মোল্লা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার উজানগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে পরিচিত। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিবাগত গভীর রাতে মজমপুর গেট এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের আগে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। পুলিশ তার বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা ও কুষ্টিয়া মডেল থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ঘটনার পর থেকে তিনি গোপনে নিয়োগ নেন এবং গ্রেপ্তার হওয়ার আগে সারাদিন কুষ্টিয়া শহরে তার স্থান চেয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় সানোয়ার হোসেনকে অভিযুক্ত করে তার নাম মামলায় দেখানো হয়।
“গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মজমপুর এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সানোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে,” জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক রকিব উদ্দিন জানান। তিনি আদালত মাধ্যমে সানোয়ার হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার করার পর পুলিশ তার সঙ্গে নিয়ে আদালতে প্রমাণ জমা দেওয়া হয়েছে।
হত্যা ঘটনা এবং মামলার বিস্তার
সানোয়ার হোসেন মোল্লা নিহত ইউসুফ শেখের হত্যা মামলার অন্যতম আসামি হিসেবে তুলে ধরা হয়। ঘটনাটি গত ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া শহরের ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে নূর টেইলার্স গলিতে ঘটে। তখন ইউসুফ শেখকে গুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। মৃত ইউসুফ শেখ উজানগ্রাম ইউনিয়নের দূর্বাচারা গ্রামের মোসলেম মোল্লার ছেলে হিসেবে পরিচিত। এ ঘটনার পর নিহতের মেয়ে সীমা কুষ্টিয়া মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং মামলায় ৭৫ জন অভিযুক্ত নাম উল্লেখ করা হয়।
পুলিশ তার বিরুদ্ধে অন্যান্য কার্যক্রমও চালু করে। কুষ্টিয়ার আওয়ামী লীগ নেতা সানোয়ার হোসেন মোল্লা গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এসেছেন। তার বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ ছিল ছাত্র আন্দোলন নিয়ে কুষ্টিয়া জেলায় গুরুতর ঘটনা ঘটানোর প্রতিশোধের জন্য।
আদালতের নিষ্পত্তি এবং সাংবাদিক রেকর্ড
গ্রেপ্তারের পর