কুমিল্লা মেডিকেলে হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু
ক ম ল ল ম ড ক – কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ইউনিটে অবস্থানকালীন এক শিশু শনিবার দুপুরে মৃত্যুর সামনে উঠে এসেছে। সামিয়া আক্তার নামে বয়সী শিশুটি মৃত্যু ঘটেছে হামের চিহ্নগুলি প্রকাশ করে এমন একটি ক্রমবর্ধমান অবস্থায়। এ ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশের পর কুমিল্লায় স্বাস্থ্য সম্পর্কিত আলোচনায় আরও গুরুতর সমস্যা উপস্থিত হয়েছে।
মৃত শিশুর পরিচয়
মৃত শিশুটি কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার ইউসুফপুর গ্রামে বসবাস করত। তার পিতা শাহাদাত হোসেন বলেন, শিশুটি দুই বছর বয়সে ছিল এবং স্থানীয় অধিবাসীদের জন্য বিশেষ করে কুমিল্লা মেডিকেলের চিকিৎসা প্রক্রিয়ার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা চলছে। ডাঃ মিয়া মনজুর আহমেদ ঘোষণা করেন যে শিশুটি দুপুরে নিরাপদ অবস্থা থেকে সংকটে পড়েছিল। তিনি আরও বলেন যে কুমিল্লা মেডিকেল এর চিকিৎসার সময় শিশুটি কোনও সুস্থ পরিস্থিতি বজায় রাখতে সক্ষম হয়নি।
হাসপাতালে আসন্ন চিকিৎসা প্রক্রিয়া
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশুদের জন্য সুষ্ঠু চিকিৎসা প্রক্রিয়া চলছিল। যদিও এ বছর কুমিল্লা মেডিকেল এর পক্ষে এটি বেশ চাপ দেয়া হয়েছে, কিন্তু কোনও বিশেষ পদক্ষেপের কারণে তার জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। হাম আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসার পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য সরাসরি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে।
ডাঃ মিয়া মনজুর আহমেদ জানান যে শিশুটি জ্বর এবং ক্ষুধার্ত অবস্থায় প্রবেশ করেছিল। তিনি মনে করেন যে কুমিল্লা মেডিকেল এর পক্ষে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে। এ বছর হাম রোগে কুমিল্লা মেডিকেল এর পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনও আলোচনা না হলে এ ধরনের ঘটনা আরও বেশি হতে পারে।
সিভিল সার্জনের নিশ্চয়তা
বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডাঃ পিয়াস আহমেদ এই ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ দেন। তিনি বলেন যে চলতি বছরে কুমিল্লা মেডিকেল এর হাসপাতালে হামের উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে এ পর্যন্ত ১০ জন শিশুর কাছে। এ সংখ্যা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানীয় রোগ প্রতিরোধে আরও চিন্তা জন্মাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার জানান যে অনুমান করা হচ্ছে কুমিল্লা মেডিকেল এর চিকিৎসা প্রক্রিয়া অবলোন্ত হয়েছে। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল এর অধিকারীদের অসুবিধা বর্ণনা করেন যে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারীরা কোনও সুষ্ঠু পরিচালনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। এ ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অধিকারীদের নিয়ন