News

এএসপির প্রত্যাহারের দাবিতে সোনাগাজী থানা ঘেরাও

সোনাগাজী থানায় বিএনপি নেতাদের বিক্ষোভ ও হাতাহাতি এএসপ র প রত য হ র - এএসপ র প্রত্যাহারের দাবিতে সোনাগাজী উপজেলার মডেল থানায় সামাজিক বিক্ষোভ সংঘটিত হয়েছে।

Desk News
Published May 24, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সোনাগাজী থানায় বিএনপি নেতাদের বিক্ষোভ ও হাতাহাতি

এএসপ র প রত য হ র – এএসপ র প্রত্যাহারের দাবিতে সোনাগাজী উপজেলার মডেল থানায় সামাজিক বিক্ষোভ সংঘটিত হয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) রাতে তাঁর বিরুদ্ধে কিশোর গ্যাং সদস্যদের প্রশ্রয় দেয়া, পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁকে অপসারণের দাবি জানায়। ঘটনার পর উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়, যখন পুলিশ কর্মকর্তারা কিশোর অপরাধে জড়িত সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করে এবং পরে তাদের ছেড়ে দেয়। এটি নেতাকর্মীদের প্রতিবাদের কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

পৌর এলাকার ঘটনা ও সামাজিক আন্দোলন

বিএনপি উপজেলা সদস্যসচিব সৈয়দ আলম ভূঁইয়া এবং যুবদলের নেতারা থানার সামনে জমে পড়েন। তাঁদের দাবি, কিশোর গ্যাং বিরুদ্ধে নিষ্পক্ষ ব্যবস্থা নেই এবং তাদের সুরক্ষা দেয়ার প্রতিশ্রুতি মিথ্যা। এএসপ র প্রত্যাহার দাবি অনুসারে পৌর এলাকায় সংঘটিত ঘটনাগুলো সামাজিক আন্দোলনের মার্কার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।

“এএসপ র প্রত্যাহারের প্রতিবাদ দীর্ঘদিনের একটি আবেদন। বিএনপি এবং যুবদল নেতারা নেতাকর্মীদের সাথে এই আন্দোলনে জড়িত ছিলেন,” উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবদীন বলেন।

হাতাহাতি ও পুলিশের প্রতিক্রিয়া

যুবদল নেতা খুরশিদ আলমের মতে সোনাগাজী থানার পুলিশ কর্মকর্তা সাধারণ মানুষের সম্পর্কে নিষ্পক্ষ ছিলেন না। তিনি বলেন, এএসপ র প্রত্যাহারের পর থানায় আড্ডা দেয়া ও অনিয়মের অভিযোগ চালু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থানীয় পুলিশ বাহিনীকে অতিরিক্ত সম্পূর্ণ সংখ্যায় মোতায়েন করা হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেওয়া হয় যে কিশোর অপরাধে জড়িত সন্দেহে পাঁচ জনকে আটক করা হয়েছে। তদন্তের পর তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এএসপ র প্রত্যাহারের দাবি ও স্থানীয় সংগঠনগুলির প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ স্তরে উঠে আসে।

বিক্ষোভ মিছিলে নেতারা বলেন যে এএসপ র প্রত্যাহার করা হয়নি এমনকি সে বিষয়ে কোনও স্পষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ঘটনার পর পুলিশ কর্মকর্তারা আরও চার জন সন্দেহভাজনকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এটি বিএনপি ও যুবদল নেতাদের ক্রমাগত আন্দোলনের স্পর্শকাতর প্রমাণ হিসেবে গণ্য।

সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানান যে পৌর এলাকায় অপরাধীদের সুরক্ষা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এএসপ র প্রত্যাহারের পর তাঁদের পুনরায় সাহায্য করা হয়নি। তবে পুলিশের কাছে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বলে তিনি দাবি করেন।

Leave a Comment