উপকূলের সংকট নিরসনে বিশেষ বরাদ্দের দাবি
উপক ল র স কট ন রসন – জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশের ১৯টি উপকূলীয় জেলার মানুষ তাদের জীবন ও জীবিকার সামনে চরম ঝুঁকি নিয়ে আছেন। এ সংকট মোকাবেলার জন্য দীর্ঘমেয়াদী সমন্বিত পদক্ষেপ ও আসন্ন জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানানো হয়েছে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপকূল উন্নয়ন দাবি উত্থাপন
রোববার (২৪ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম (সিএএফ) ও লিডার্সের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি ব্যক্ত করা হয়। আহ্বায়ক আমিনুর রসুল বাবুল সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য রাখেন সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র। আরও বক্তব্য রাখেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মীর মোহাম্মদ আলী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, সিরাক বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম সৈকত, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর যুগ্ম সম্পাদক হুমায়ুন কবীর সুমন, লিডার্সের ন্যাশনাল অ্যাডভোকেসি কোঅর্ডিনেটর শাকিল আহমেদ এবং ইয়ুথ ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের আহ্বায়ক সাদিয়া সুলতান শাপলা প্রমুখ।
সম্মেলনে উপস্থাপিত একটি চিংড়ি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছর বাজেট বৃদ্ধি পেয়েছে বলে প্রকাশ করা হয়েছে বিষয়টি। তবে জলবায়ু ও পরিবেশ খাতে বরাদ্দ নিয়ে সম্পূর্ণ অপ্রতুলতা দেখা যাচ্ছে। বাজেটের মোট আকার বৃদ্ধির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ পরিমাণে বরাদ্দ কমে গেছে উপকূল খাতে।
২০১৬-১৭ অর্থবছরে জলবায়ু ও পরিবেশ খাতে বরাদ্দ ছিল ২৮ হাজার কোটি টাকা যা মোট বাজেটের ৮.২১ শতাংশ ছিল। অথচ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এটি ৫.১৭ শতাংশে (৪১ হাজার ২০০ কোটি টাকা) কমে পড়ে এবং সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা মাত্র ৫.২১ শতাংশ (৪১ হাজার ২০৯ কোটি টাকা) হয়ে আছে।