আসছে নাটক ‘ভাবী’ | সংবাদ
নাটকের সমালোচনা ও সম্পাদনা
আসছ ন টক ভ ব – আসছ নাটক ভাবী বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক মাঠে আসছে, যেটি মহিন খানের সম্মিলিত অভিনয়ে তৈরি করা হয়েছে। নাটকটির শিরোনাম ‘ভাবী’ হিসেবে পরিচিত, যেখানে শশী পারুল চরিত্রে এবং নিলয় আলমগীর তার দেবর ইমরান চরিত্রে অভিনয় করেন। গল্পটি বাস্তব জীবনের সামাজিক ঘটনা থেকে প্রকৃতি অনুসরণ করে গড়ে উঠেছে, যার মূল ভিত্তি ছিল দেবর ও ভাবীর মধ্যে সম্পর্কের পরিবর্তন।
নাটকের কাহিনী পারুলের স্বামী বাইরে থাকার পর দায়িত্ব স্থানীয় সম্পর্কে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিবর্তন নাটকের গোড়াপত্তন থেকে শুরু হয়েছে, যেখানে বাস্তব পরিস্থিতি এবং সামাজিক চাপের মধ্যে চলে। আসছ নাটক ভাবী দর্শকদের মনে বিশেষ ছাপ ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ সেটি ব্যক্তিগত ভাবনা এবং পরিবার সম্পর্কে গভীরতার সম্মিলন।
পরিচালক ও অভিনেত্রীর মন্তব্য
“প্রায় দশ বছর পর শশী আমার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হলো, এবং আসছ নাটক ভাবী আমার পরিচালনায় হবে। তিনি অত্যন্ত মেধাবী একজন অভিনেত্রী। চরিত্রের গভীরে গিয়ে যেভাবে তিনি অভিনয় করেন, তা সত্যিই মুগ্ধ করে। নাটকটি তৈরি করার সময় আমার কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে, কারণ নিলয় ভাইও তার চরিত্রে দারুণ অভিনয় করেছেন। আমি আসছ নাটক ভাবী নিয়ে ভীষণ আশাবাদী।”
শশী বলেন, “আসছ নাটক ভাবী আমার জন্য খুব ভালো লেগেছে। পারুলের চরিত্রটি সাধারণ ধাঁচের বাইরে রয়েছে, যার কারণে অভিনয়ের অনেক সুযোগ আছে। মহিনের সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ, এবং তিনি অনেক যত্ন নিয়ে কাজটি করেছেন। আসছ নাটক ভাবী সব মিলিয়ে দর্শকদের ভালো লাগবে বলে আমি আশা করছি।”
অভিনেত্রী ও অভিনেতার গুরুত্ব
শশী আগে সিনেমায় রিয়াজ এর বিপরীতে ‘টুনি’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন, কোহিনূর আক্তার সুচন্দা পরিচালিত অস্তিত্বে আমার দেশ নামক ছোট চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। আসছ নাটক ভাবী তার অভিনয়ের একটি নতুন স্বাদের অভিজ্ঞতা হতে পারে। অপূর্ব এর সঙ্গে একটি সিনেমার কাজ শুরু করেছিলেন, কিন্তু আসছ নাটক ভাবী তার প্রাথমিক পরিচয় দেয়।
আসছ নাটক ভাবী নির্মাতা দ্বারা একটি নতুন সমাজ পরিচয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নাটকের মূল ধারণা হলো সামাজিক চাপ এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের সংঘটনা দ্বারা গড়ে উঠেছে। এই সামাজিক সম্পর্ক তার বিষয় স্থায়ী নয়, যেখানে আসছ নাটক ভাবী সব মিলিয়ে স্বাদের সমাপন ঘটে।
অভিনেত্রী শশী এবং নিলয় আলমগীর এই নাটকে সামাজিক সংঘটনার মূল চরিত্রে অংশ গ্রহণ করেছেন। আসছ নাটক ভাবী নাটকে পারুলের স্বামী মৃত্যুর পর কানাঘুষা গুঞ্জনে গল্পের বিষয় পরিবর্তন হয়েছে। এই পরিবর্তন নাটকের উপর একটি নতুন আবেদন �