News

অন্ধকারে কুমারখালীর গড়াই সেতু, বাড়ছে অপরাধ

78d0508c-290c-47fa-a76c-d884dd112cef-0

অন্ধকারে কুমারখালীর গড়াই সেতু, বাড়ছে অপরাধ

Banglabeacon.com – অন ধক র ক ম রখ ল – অন্ধকারে কুমারখালীর গড়াই সেতু বর্তমানে অপরাধের স্থান হিসেবে চিহ্নিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি কুমারখালী উপজেলার গড়াই নদীতে স্থাপিত ৬৫০ মিটার দীর্ঘ একটি বৈদ্যুতিক সেতু যা ২০২৩ সালের জুনে উদ্বোধন করা হয়। বৈদ্যুতিক তার চুরি হওয়ায় সড়কবাতি অব্যবস্থাপন হয়ে গেলেও সরঞ্জাম পুনর্গঠনের জন্য কিছুটা মেরামত করা হয়েছিল। কিন্তু অপূর্ণ আলোকিত অবস্থায় সেতুটি অন্ধকারে আবরণ ছুঁই যায়। সাধারণ মানুষ, দর্শনার্থী এবং ব্যবসায়ীদের চলাচলের খুব বেশি ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।

অপরাধের প্রতি সড়কবাতির গুরুত্ব

গড়াই সেতু নির্মাণের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল যাতে গ্রামীণ অঞ্চলে যাতায়াত সুবিধা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু আলো না থাকায় এখন সেতু এলাকায় রাতে চলাচল খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অন্ধকারে চুরির ঘটনা সামান্য নয় বলে মন্তব্য করেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায় যে সড়কবাতি নষ্ট হওয়ায় রাতে দৃশ্যমানতা কমে গেছে। যার ফলে মানুষ দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছাড়া সাবেক বাস স্থানে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটছে।

“লাইট না থাকায় রাতে চলাচল খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। অন্ধকারে প্রায়ই চুরির ঘটনা ঘটছে।”

অন্ধকারে কুমারখালীর গড়াই সেতুতে সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন ক্রমাগত অপরাধ কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থী হচ্ছেন। এই সেতুটি নির্মিত হয়েছিল একটি উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে, কিন্তু আলোকিত হওয়ার দেখা না পেলে এটি ক্রমাগত অপরাধের স্থান হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপাতত এলাকার বাসিন্দারা তাদের রাতের গতিবিধি কিছুটা বাধা হিসেবে মনে করছেন। সড়কবাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেলে কোটি টাকার সেতু যাতায়াত সুবিধা হারিয়ে ফেলেছে।

গড়াই সেতু নিরাপত্তার দাবি

কুমারখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক আমিরুল ইসলাম জানান যে অন্ধকারে কুমারখালীর গড়াই সেতুতে পর্যাপ্ত আলো না থাকার ফলে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, যদি সড়কবাতি প

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *